অস্ট্রেলিয়াকে যে ধরণের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছিল নিউজিল্যান্ডকেও তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বায়ো বাবল অর্থাৎ জৈব সুরক্ষা বলয় তৈরির ক্ষেত্রে আগের সিরিজটিরই কপি-পেস্ট হবে। জানিয়েছেন বিসিবি চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী। মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়রা স্পর্শহীন থাকবে।
পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশে আসবে নিউজিল্যান্ড দল। এসেই তারা উঠবে পাঁচ তারকা হোটেলে। যেখানে থাকতে পারবে না বাইরের কেউ।
কিউই স্কোয়াডের দুই ক্রিকেটার ফিন অ্যালেন ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম আগেভাগেই ঢাকায় পৌঁছে হোটেল রুমে কোয়ারেন্টিনে আছেন। বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের হোম কোয়ারেন্টিন শুরু হয়েছে আজ থেকে।
বাসায় গিয়ে অনেকেরই কোভিড-১৯ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আজ থেকে তারা বাইরে বের হতে পারবেন না। নিউজিল্যান্ড দল ঢাকায় আসার দিন হোটেলে উঠার মধ্য দিয়ে কঠোর জৈব সুরক্ষা বলয়ে প্রবেশ করবেন তারা।
করোনা টেস্টের স্যাম্পল নেওয়ায় আজ মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দেখা যায়নি মুশফিক-সৌম্য-লিটন-সোহানদের আনাগোনা। গত কয়েকদিন তারা ব্যক্তিগত উদ্যোগে অনুশীলন করেছেন সেন্টার উইকেটে।
যে সকল খেলোয়াড়দের ঢাকায় স্থায়ী নিবাস নেই তারা আজ হোটেলে উঠে গেছেন। তাদেরও করোনার স্যাম্পল নেওয়া হয়েছে। দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছেন বায়ো বাবলে ঢোকার পর থেকে সিরিজ শেষ হওয়া পর্যন্ত অন্তত চার থেকে পাঁচবার করোনা পরীক্ষা হবে দুই দলের ক্রিকেটারদের।
সিরিজ–পূর্ববর্তী পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশে আসা নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের তিন পর্যবেক্ষক আগামীকাল সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ঘুরে দেখবেন। করোনা পরিস্থিতির কারণে এই একটি মাঠেই হবে সব ম্যাচ। সিরিজের প্রথম টি-টুয়েন্টি ১ সেপ্টেম্বর।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত একটি সিরিজ শেষ করে দুই সপ্তাহ ছুটিতে ছিলেন ক্রিকেটাররা। আরেকটি হোম সিরিজের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যাচ্ছে আজ থেকেই। হোম কোয়ারেন্টিন, হোটেল কোয়ারেন্টিন শেষে ২৭ আগস্ট মিরপুরে দলীয় অনুশীলনে নামার কথা বাংলাদেশ দলের। নিউজিল্যান্ড দলও ওইদিন প্রথম অনুশীলন করবে।









