কাতালোনিয়ার নেতা কার্লোস পুজডেমন্ড স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন কি না, তা স্পষ্ট করতে বলেছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয়। তিনি বলেন, এ বিষয়ে অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণের আগে স্পেন সরকারের তা জানা প্রয়োজন।
মঙ্গলবার পুজডেমন্ড কাতালোনিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে সই করলেও স্পেন সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য কাতালোনিয়ার স্বাধীনতা কয়েক সপ্তাহের স্থগিত করেন। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে সই করার পর কাতালোনিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং সেখানকার নেতারা এমনটি জানান।
মঙ্গলবার সই করা স্বাধীনতার দলিলপত্রে কাতালোনিয়াকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তবে স্পেনের কেন্দ্রীয় সরকার বারবার কাতালোনিয়ার এসব কার্যক্রমকে অস্বীকার করছে।
মঙ্গলবার স্বাধীনতার ঘোষণায় কার্লোস পুজডেমন্ড বলেন: ভোটের মাধ্যমে জনগণ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দিয়েছে এবং আমি এটি নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। জনগণের আকাঙ্ক্ষিত স্বাধীন রাষ্ট্রের ইচ্ছাকে অনুসরণ করতে চাই।
এরপর স্পেনের প্রধানমন্ত্রী মারিয়ানো রাজয় বলেন: যেকোন ধরণের স্বাধীনতার ঘোষণা যাতে কার্যকর না হয়, তার জন্য তিনি সব ধরণের পদক্ষেপ নেবেন।
স্পেনের বিত্তশালী অঞ্চল কাতালোনিয়া। জনসংখ্যা ৭৫ লাখ। অঞ্চলটির নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে। পাঁচ বছর ধরেই অঞ্চলটির স্বাধীনতার কথা উঠছে। তবে ২০১৫ সালে কাতালোনিয়ার প্রাদেশিক পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পান সেখানকার স্বাধীনতাকামীরা।
নির্বাচনের ওই ফলের মধ্য দিয়ে স্পেন থেকে পৃথক হয়ে নতুন রাষ্ট্র গঠনের পথে এক ধাপ এগিয়ে যায় কাতালোনিয়া। কাতালোনিয়া কর্তৃপক্ষ স্বাধীনতা নিয়ে ১ অক্টোবর গণভোটের আয়োজন করে। স্পেন সরকার ওই গণভোটকে বেআইনি বলে আখ্যা দেয়। ওই গণভোটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে কয়েক শ আহত হয়।









