সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কাজী আরেফ আহমেদের ২৩তম মৃত্যুবার্ষিকী এবং পীর হবিবুর রহমানের ১৮তম মৃত্যু দিবস উপলক্ষে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন।
বুধবার গণমাধ্যমকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে: সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন মনে করে ১৯৯৯ সালে জাতীয় বীর কাজী আরেফ আহমেদকে সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে প্রকাশ্য দিবালোকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। কাজী আরেফ আহমেদ ছিলেন সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, মাফিয়া বেষ্টিত রাজনীতির বিরুদ্ধে একজন লড়াকু সৈনিক। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে মাফিয়া চক্র এদেশে মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারাকে বাধাগ্রস্থ করতে চেয়েছে। আমরা মনে করি, এই দুষ্ট চক্রের মূলোৎপাটন করতে হবে।
ইতোমধ্যে বিচারিক আদালতে কয়েকজন চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের বিচার করা হলেও তা এখনো সম্পূর্ণ কার্যকর করা হয়নি। আমরা দ্রুততম সময়ে এই রায় কার্যকর করার দাবি জানাচ্ছি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয় নেতা পীর হবিবুর রহমান ছিলেন একজন ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু’র ঘনিষ্টজন। দেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আমৃত্যু একজন নিবেদিত প্রাণপুরুষ ছিলেন পীর হবিবুর রহমান। তার মৃত্যুতে দেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে শূণ্যতা নেমে এসেছে। আজকে এই দিনে প্রয়াত কাজী আরেফ আহমেদ ও পীর হবিবুর রহমানের মতো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা। একইসাথে তাদের স্বপ্নের শোষণ, বঞ্চনামুক্ত ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার কাজকে অগ্রসর করে নেবার দৃঢ় অঙ্গিকার আমাদের।









