চীনের করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ঠিক তার মতোই নতুন এক ভাইরাস তৈরি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, এই নতুন ভাইরাস করোনার চিকিৎসায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
ধারণা করা হচ্ছে, নতুন তৈরি করা এই ভাইরাস খুব দ্রুতই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লুএইচও) সাথে করোনা ভাইরাস সনাক্ত এবং চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে।
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের একটি ল্যাবের গবেষকরা বলেছেন, তারা সংক্রামিত রোগীর কাছ থেকে করোনা ভাইরাসের অনুলিপি (কপি) বানাতে সক্ষম হয়েছেন। গত শুক্রবার তাদের কাছে করোনা ভাইরাসের নমুনা পাঠানো হয়েছিল।
মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিটার দোহার্টি ইনস্টিটিউট ফর ইনফেকশন অ্যান্ড ইমিউনিটির ডা. মাইক ক্যাটটন বলেছেন, আমরা বহু বছর ধরে এই জাতীয় একটি বিষয় নিয়ে পরিকল্পনা করছিলাম। আর এ কারণেই এত তাড়াতাড়ি সফলও হয়েছি।
চীনের হুয়ান শহর থেকে প্রতিদিন যেখানে শত শত বিদেশি নাগরিককে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে তখন অস্ট্রেলিয়া সরকারের এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে নতুন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দেশটি বলছে, তাদের যে ৬’শ নাগরিক চীন থেকে ফিরেছে তাদেরকে দুই সপ্তাহের জন্য ক্রিশমাস আইল্যান্ড নামের এক নির্জন দ্বীপে রাখা হবে। এই দ্বীপটি অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূ-খণ্ড থেকে দুই হাজার কিলোমিটার দূরে।
চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস এরই মধ্যে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, নেপাল, ফ্রান্স, সৌদি আরব, কানাডা ও জার্মানিসহ কমপক্ষে ১৬টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
সংক্রমণ ঠেকাতে এরই মধ্যে চীনের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে হংকং।
ভাইরাসটিকে ‘শয়তান’ আখ্যা দিয়ে এর মোকাবিলায় বিজয়ী হওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
প্রাণঘাতী ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে চীনের সক্ষমতা রয়েছে বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।









