বাংলাদেশের শিশু চিকিৎসায় পথিকৃৎ জাতীয় অধ্যাপক এম আর খানকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। চিকিৎসক, শিক্ষক, রাজনীতিকসহ সকলেই মানবিক গুণসম্পন্ন এ চিকিৎসককে দৃষ্টান্ত মেনে সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
নিজ হাতে গড়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে শনিবার বিকেলে ইন্তেকাল করেন এম আর খান। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে নেমে আসে শোকের ছায়া। সেন্ট্রাল হাসপাতালে প্রথম জানাযার পর তার মরদেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।
মেডিসিন বিভাগ থেকে শিশু চিকিৎসা বিভাগকে আলাদা করে এ দেশের শিশু চিকিৎসায় অন্য ধারা তৈরির এ কারিগরকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার হাতে গড়া চিকিৎসকরাসহ সর্বস্তরের মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান।
সেখান থেকে তাকে মিরপুরে তার প্রতিষ্ঠা করা আরেক শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর নেয়া হয় উত্তরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে নামাজের জানাযার পর মরদেহ যশোরে নিয়ে যাওয়া হয়।
এম আর খানকে শ্রদ্ধা জানাতে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আজ তিনি আমাদের মাঝ থেকে চলে গেছেন। দেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানে তার যে অবদান, তা চিরকাল বাংলাদেশের মানুষ স্মরণে রাখবে। তিনি শুধু একজন আদর্শবাদ চিকিৎসকই ছিলেন না। তিনি বাংলাদেশে চিকিৎসাশাস্ত্রের একজন জনকও ছিলেন।”
সোমবার সাতক্ষীরায় নিজ এলাকায় আরেকটি জানাযার নামাজের পর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। ১৯২৮ সালের পয়লা আগস্ট সাতক্ষীরার রসুলপুর গ্রামে জন্ম নিয়েছিলেন মোহাম্মদ রফি খান, কর্মজীবনে এম আর খান নামে পরিচিত এ দেশের শিশু চিকিৎসার পথিকৃৎ।









