৩৮ ওভারে ২০০। পরের পাঁচ ওভারে ১৮ রান। তিন উইকেট নেই। শুরুতে যা পারা হয়নি, শেষদিকে সেই কাজটি করে বিদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডকে হারানোর আশা বাঁচিয়ে রাখলেন বোলাররা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৭০ রান করেছে কিউইরা।
২০১৬ সালের অক্টোবরের পর প্রথম ওয়ানডে খেলতে নেমে নাসির এদিন শুরুতে নড়বড়ে ছিলেন। তার কারণেই টম ল্যাথাম জীবন পেয়ে রানের চাকা সচল রাখেন। নাসির যতক্ষণে দায়মোচন করেন, ততক্ষণে ল্যাথাম ৮৪ রান করে বেরিয়ে যান। ল্যাথামকে বোল্ড করার আগে ব্রুমকে ফিরিয়ে ১৩৩ রানের জুটি থামান ওই নাসির।
ব্রুম (৬৩) তাকে সুইপ করতে যেয়ে শর্টস্কয়ার লেগে মাশরাফির হাতে ধরা পড়েন। ঠিক এই জায়গায় মাশরাফির ওভারে নাসির ক্যাচ ছেড়েছিলেন। নাসির নিজের পরের ওভারে প্রথম বলে ল্যাথামকে বোল্ড করেন।
চতুর্থ ওভারে দলকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। গুড লেন্থের বল উড়িয়ে মারতে যেয়ে বল আকাশে তুলে দেন রঞ্চি। এক্সট্রা কাভারে বলের ওপর চোখ রেখে তালুবন্দি করেন সাকিব। মোস্তাফিজ ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৪৬ রান দিয়ে এক উইকেট নিয়েছেন।
নাসির-মোস্তাফিজের পর সাকিব সাফল্য পান। অ্যান্ডারসনকে (২৪) রিয়াদের হাতে ধরা পড়তে বাধ্য করেন। এরপর আঘাত হানেন অধিনায়ক মাশরাফি। নিশামকে (৬) তিনিও রিয়াদের ক্যাচ বানান। মাশরাফি শেষ দিকে আরও একটি উইকেট পান। এদিন ১০ ওভার বল করে ৫২ রান দিয়ে এই দুই উইকেট নিয়েছেন।
রুবেল শেষদিকে নিজের প্রথম উইকেট পান। দারুণ এক ইয়র্কারে হেনরিকে (১৪) বোল্ড করেন। নাসির ৯ ওভারে ৪৭ রান খরচ করে দুই উইকেট নিয়েছেন।









