চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

এই শ্রেণীর মানুষেরা হচ্ছে গণশত্রু

শরদিন্দু ভট্টাচার্য্য টুটুল by শরদিন্দু ভট্টাচার্য্য টুটুল
3:22 অপরাহ্ন 06, ডিসেম্বর 2020
in মতামত
A A
-4 Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

আমাদের মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষের কথা কেন জানি মনে হয় আমরা ভুলতে বসেছি। দিন যতোই যাচ্ছে আমাদের মনের গভীর থেকে যেন উধাও হয়ে যাচ্ছে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতি চিহ্নের কণাটুকু। আজ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত তারাই, যারা একাত্তরে ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব হারিয়েছেন। সব হারানো মানুষগুলো এখনো মনের স্মৃতি কোঠায় খুঁজে বেড়ান আমাদের মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের তথ্যগুলো। কেবল যেন তারাই শুনতে পান অর্থাৎ যারা একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে অনেক কিছু হারিয়েছেন সেইসব মানুষের আর্তনাদ।

মানুষের আর্তনাদের মূল্যায়ন করতে গিয়ে এদেশের কিছু সুবিধাভোগী মানুষ সবকিছু নিজেদের স্বার্থে নিজেদের করতলগত করে ফেলতে চান। যারা অনেক কিছু হারিয়েছেন আমার এই দেশ মাতৃকাকে স্বাধীন করতে গিয়ে, তারাই কেবল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাসকে লালন-পালন করছে। সুবিধাভোগীরা কেবল নিজেদের লাভের হিসাব বাড়াবার জন্য পাকা অভিনেতার মতো চিৎকার করে যাচ্ছেন- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধ বলে। আর বাস্তবে এসব অভিনেতারা উভয় দিক রক্ষা করার জন্য বিরুদ্ধ শিবিরেও উঁকি মারেন, যাতে সময়মতো বিরুদ্ধবাদীদেরকেও কাজে লাগিয়ে নিজেদের লাভ লোকসান বাড়াতে পারেন। সব হারানো মানুষের বেদনাময় চিৎকার উপর তলার মানুষেরা শুনতে চান না। সব হারানো মানুষকে নিয়ে উপর তলার মানুষেরা তখনি সজাগ হন, যখন দেখা যায় নিজেদের অন্যায় আবদারগুলো রক্ষা করা যাবে। অথচ একাত্তরের আমাদের মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, সেই সব শহীদের আত্মদানকে পুঁজি করে আমাদের নীতিবর্জিত অতিলোভী হীনস্বার্থ উদ্ধারকারী একশ্রেণীর রাজনীতিবিদরা নিজেদের ব্যাংকের হিসাব বৃদ্ধি করছেন, পাকা ঘর-বাড়ি বানাচ্ছেন এবং দেশের সকল সুখ-শান্তি নিজেদের ড্রয়িং রুম, বেড রুমে নিয়ে যাচ্ছেন। আর অন্যদিকে অসহায় ও সবকিছু থেকে বঞ্চিত মানুষেরা পথে পথে ঘুরে বেড়ায় একটু আনন্দ আর সুখের অভিপ্রায়ে।

কিন্তু সাধারণ মানুষের কপালে সুখ আর আনন্দ ধরা দিতে চায় না। ধরা দেবে কি করে, মানষের সব সুখ-আনন্দ নিয়ে গেছে এক শ্রেণীর নীতিবর্জিত আমলা ও অসৎ রাজনীতিবিদরা। এই শ্রেণীর মানুষেরা ২৬শে মার্চ ও ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে অর্থাৎ বিশেষ দিবসে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া শহীদদের জন্য মায়াকান্না করে চোখের জলে নিজেদের জামা কাপড় ভিজিয়ে ফেলেন। তারপর দিবসগুলো চলে গেলে এই শ্রেণীর মানুষেরা চোখের জলে ভেজা জামা কাপড় উন্নত মানের লন্ড্রিতে ধুয়ে ইস্ত্রি করে আলমিরাতে রেখে দেন আগামী বছরের বিশেষ দিবসগুলোতে পরিধান করার জন্য। বিশেষ দিবস ছাড়া দুর্নীতিবাজ ব্যক্তিরা আমাদের এই মাতৃভূমি স্বাধীন করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছিল, তাদের কথা আর মনেই রাখতে চান না। আজকাল এক শ্রেণীর মানুষ, যেমন আমলা, রাজনীতিবিদ, কবি, লেখক, সাংবাদিকরা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড বজায় রেখে বুঝাতে চান, তারা জনগণের অতি কাছের মানুষ। বাস্তবে এই শ্রেণীর মানুষেরা হচ্ছে গণশত্রু।

হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলায় অবস্থিত ছায়া সুনিবিড় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত কৃষ্ণপুর গ্রাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের এদেশীয় দোসর সম্মিলিতভাবে কৃষ্ণপুর গ্রামে গণহত্যা শুরু করে। সংবাদ ভাষ্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কথামতো হত্যাযজ্ঞের দিন পাকিস্তানি সেনাদের থেকে এদেশীয় পাকিস্তানিদের সহযোগীরাই সংখ্যায় বেশী ছিল। তারা এমন নির্দয়ভাবে গ্রামের মানুষকে হত্যা করে যা আক্রান্ত ব্যক্তিরাই চিন্তা করতে পারেনি। কৃষ্ণপুর গ্রামে প্রথম গুলি করে হত্যা করা হয় রাম চরণ রায়কে। এ দৃশ্য দেখে গ্রামের মানুষ বিভিন্ন দিকে ছুটাছুটি করতে থাকে। কেউ কেউ গ্রামের মজা পুকুরের কচুরীপানায় লুকিয়ে থেকে প্রাণ বাঁচায়। গ্রামের মানুষের মতে গ্রামটি বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দূরের গ্রাম থেকেও সংখ্যালঘু হিন্দুরা প্রাণ বাঁচানোর জন্য এই গ্রামে আশ্রয় নেয়। এই খবর পাকিস্তানি সেনাদের দেশীয় সহযোগীরা জানার পর পাকিস্তানি সেনারা তা জেনে যায় এবং পাকিস্তানি সেনারা ও তার সহযোগীরা কৃষ্ণপুর গ্রামে হামলা করে গণ্যহত্যা শুরু করে। গ্রামবাসীদের বক্তব্যমতে ঐ দিন প্রাণ বাঁচানোর জন্য গ্রামের মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার আগে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের এ দেশীয় সহযোগীদের হাতে নিহত গ্রামবাসীদের লাশ সৎকার না করে বলভদ্র নদীতে ফেলে যান।

গ্রামবাসীদের অভিযোগ মহান মুক্তিযুদ্ধে কৃষ্ণপুর গ্রামের এতোসব মানুষ প্রাণ হারানোর পরও, নারীরা ইজ্জত হারানোর পরও কেউ তাদের কোন খোঁজ-খবর নেন না। অভিযোগ আছে তারা কোন সাহায্য পান না। অনেক দুঃখ কষ্টে জীবন-যাপন করছেন। যদিও এখন ক্ষমতায় মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বকারী দল। অনেকের মতে ঐ দিন কৃষ্ণপুর গ্রামের গণহত্যায় ১২৭ জন মৃত্যুবরণ করেন। অনেকে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলি খেয়ে মরার মতো পড়ে থেকে পালিয়ে গিয়ে প্রাণ বাঁচান। অভিযোগ আছে বর্তমান সরকারের আমলেও এখনো পর্যন্ত যুদ্ধে আহত কিংবা নিহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের লোকজনের নাম তালিকায় নেই। এমনো হয়েছে যে, একসঙ্গে এতো মানুষের লাশ সৎকার করতে না পেরে লাশের গলায় কলসি বেঁধে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ ভাষ্যমতে পাকিস্তানি বাহিনী ১২৭জন পুরুষকে স্থানীয় কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে লাইন ধরিয়ে হত্যা করে। পরে আগুন দেওয়া হয় নিরীহ মানুষের ঘর-বাড়িতে। এছাড়া নিরীহ নারীদেরকেও ধর্ষণ করা হয়। স্বামী হারানো বিধবাদের কান্নার ধ্বনি এখনো কৃষ্ণপুর গ্রামের বাতাসকে ভারী করে তোলে। ১৯৭১ সালের অপমান অর্থাৎ গণহত্যার কথা এখনো হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা ভুলতে পারেননি। এখনো তাদেরকে পীড়া দিয়ে যায়, ১৯৭১ এর সেই দিনের ভয়াবহ দৃশ্যাবলী।

তার মধ্যে যখন সব হারানো মানুষের দল দেখতে পায়, এখনো মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় নিহত আহত মুক্তিযোদ্ধাদের নাম স্থান পায় না, তখন তারা অর্থাৎ নিহত আহত ব্যক্তিদের আত্মীয় স্বজনরা বিপুল যন্ত্রণা নিয়ে কেঁদে ওঠে। তাদের অর্থাৎ সব হারানো মানুষের কান্নার ধ্বনি ভাগ্যবান ব্যক্তিরা শুনতে পান না। কর্তা ব্যক্তিরা মনে করেন, তাদের ইচ্ছা মতোই সব কিছু চলবে। মানুষের মন অপমান যন্ত্রণায় আরো ব্যথিত হয়ে ওঠে যখন তারা দেখতে পায়, সেদিন যারা আমাদের দেশের গ্রামে গ্রামে গণহত্যায় পাকিস্তানি সেনাদের সাহায্য সহযোগিতা করেছিল কিংবা পাকিস্তানি সেনাদের আমন্ত্রণ নিমন্ত্রণ করে আমাদের এই দেশের গ্রামগঞ্জের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করে গণহত্যা সংঘটিত করেছিল, তাদের আত্মীয় স্বজনরা যখন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী বর্তমান সরকারী দলে ভালো পদবী নিয়ে স্থান করে নেয়ার অভিযোগ ওঠে। তখন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আহত নিহত মানুষের আত্মীয়-স্বজনরা ভাগ্যকে দোষ দিয়ে কেবল ক্রন্দন করতে পারে। এছাড়া তাদের আর কি করার আছে।

আমরা দেশবাসী চাইবো, যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন, সম্পদ হারিয়েছেন, মান-সম্মান হারিয়েছেন কিংবা যারা নিজেদের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে দেশমাতৃকার জন্য মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, তাদের যেন সঠিক মূল্যায়ন করা হয়। এই সব মুক্তিযোদ্ধাদের কিংবা সব হারানো মানুষকে যেন পথে ঘাটে, অফিস আদালতে অপমানিত হতে না হয়। সেদিকে বর্তমান সরকারী দলকে অবশ্যই যথাযথভাবে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আমাদের মহাকাব্যিক মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দানকারী দল। তাদের কাছ থেকে মুক্তিযোদ্ধারা কিছুতেই অবহেলা পেতে পারেন না কিংবা সহ্য করতেও পারবেন না।

তাই পরিশেষে বলতে চাই, হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে ১৯৭১ সালে সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের এদেশের সহযোগী দোসরদের হাতে নিহত আহত মানুষকে যেন সঠিক মূল্যায়ন করে তাদের নাম মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় ওঠে। সেদিকে সবারই দৃষ্টি দেওয়া উচিত। তবে দায়িত্বটা বর্তমান সরকারেরই বেশী। তাতে পরবর্তী প্রজন্ম আশার আলো দেখতে পাবে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Tags: গণশত্রুমানুষমুক্তিযুদ্ধ
Previous Post

মেসিকে নিয়েও অবনমন থেকে ৩ পয়েন্ট দূরে বার্সা

Next Post

করোনার হানায় স্থগিত প্রোটিয়া-ইংলিশ ম্যাচ

Next Post
ক্রিকেট খেলোয়াড় ব্যাটিং করছেন, অন্য খেলোয়াড় ফিল্ডিং করছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

করোনার হানায় স্থগিত প্রোটিয়া-ইংলিশ ম্যাচ

Samsung Year-End Offer banner with discounts on Galaxy phones and accessories. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

স্যামসাংয়ের ‘বছর শেষ অফার বেশ’

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT