ঈদ উপলক্ষ্যে বেশ লম্বা ছুটি। তাই এই সুযোগে পরিবার-পরিজন নিয়ে দেশে বিদেশের পর্যটন স্পটগুলোতে ঘুরে বেড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন অনেকেই। এমনকি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দেওয়া ইভেন্টের মাধ্যমেও অনেকেই বেড়াতে যাবেন। ঈদে সবার ভ্রমণকে আরও আনন্দময় করে তুলতে প্রস্তুত বিভিন্ন বেসরকারি-সরকারি প্রতিষ্ঠান।
ঈদের ছুটিতে দেশে ঘুরে বেড়াতে এরই মধ্যে পছন্দের জায়গা ঠিক করে রেখেছেন পর্যটকরা। এ তালিকায় আছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, বৃহত্তর সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার, নীল জলরাশি ঘেরা সেন্টমার্টিন, সাগরকন্যা কুয়াকাটাসহ দেশের মধ্যে থাকা ভ্রমণ স্পটগুলো।
ট্রিপ টু বাংলাদেশের সিইও মাহমুদ হাসান খান জানান, ঈদের দিন বা ঈদের পরের দিনের জন্য এখন আর কোনো বাসের টিকিট নেই। এটা খুব ভালো যে, দেশের মানুষের ভ্রমণে আগ্রহ বেড়েছে। বিশেষ করে অপরিচিত স্থানগুলোও পরিচিত হচ্ছে।
নভো এয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার কিন্তু আগের বছর যেসব প্রেসার থাকে সেসব ফিল করছি না।
পর্যটকদের ভ্রমণকে আরও আনন্দদায়ক করতে হোটেল মোটেলকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়্যারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী বলেন, যেসব এলাকায় পর্যটকের আনাগোনা বেশি যেমন চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, কুয়াকাটায় সব বুকিং কমপ্লিট। ক্ষেত্রবিশেষে আমরা কিছু ডিসকাউন্টও দিয়ে দিচ্ছি গ্রাহকদের।
সায়মন বিচ রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব-উর-রহমান বলেন, মানুষের আগ্রহ প্রচুর। নয়দিনের ছুটিতে সবাই ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। সেজন্য আমাদের বিচ অ্যাক্টিভিটিও রয়েছে প্রচুর। ফাইভ স্টার হোটেলে থেকে সমুদ্র উপভোগের জন্য যা যা দরকার সবই আমাদের আছে।
আবার অনেকেই প্রস্তুতি নিয়েছেন পরিবারসহ কিংবা বন্ধুদের সাথে ঈদের ছুটিতে দেশের বাইরে অবকাশ যাপনের।
এশিয়ান হলিডেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এন সাইফুল মুরশেদ মাওলা বলেন, ভ্রমণের মূল বিষয়টি হচ্ছে সময়। যেহেতেু এবারের ছুটিতে সময় হাতে আছেই বাংলাদেশের মনুষ যে যেখানে পারছে ভ্রমণের চেষ্টা করছে।
ভ্রমণপ্রিয় মানুষেরা ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে যাবেন আনন্দ ভ্রমণে। তবে ভ্রমণ যেন নিরানন্দ না হয়ে ওঠে তার জন্য সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এতেই ভ্রমণ অনেক বেশি আনন্দময় হয়ে উঠবে।









