বাংলাদেশ ন্যূনতম আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তার সঙ্গে একমত না হলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর্থিক খাতকে অস্বচ্ছ করার একটা চেষ্টা আছে।
ওই রিপোর্টের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের সাবেক মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক আতাউল হাকিম চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেছেন, বিদ্যমান আইন ও যে প্রক্রিয়া রয়েছে তাতে অস্বচ্ছতার আশংকা নেই।
মার্কিন রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যর্থ হলেও শর্ত পূরণে সফল হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশ ভারত, নেপাল এবং শ্রীলংকা।
সাবেক সিএজি বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র অস্বচ্ছতার যে বিষয়টি সামনে এনেছে তা ঠিক না হলেও প্রি-অডিট সিস্টেম তুলে দেওয়া হলে বাংলাদেশ আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা হারাবে।
সরকারের একটি পক্ষ থেকে প্রি-অডিট সিস্টেম তুলে দেওয়ার চেষ্টা হলেও তা এখন পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। আতাউল হাকিম যখন সিএজি ছিলেন তখন তিনি এরকম চেষ্টার বিরোধিতা করেছেন।
মার্কিন প্রতিবেদনে রাজস্ব স্বচ্ছতায় জনপ্রাপ্যতা, বাজেটের তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণের জন্য সরকারের বিভিন্ন চুক্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার বিষয়গুলো বিবেচিত হয়েছে।






