ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সেরা দুই দলের লড়াই অথচ মিরপুরে উত্তাপ ছড়াল না মোটেও। একপেশে ম্যাচে মোসাদ্দেক-মাশরাফীদের আবাহনীকে ৬ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ।
দশ ম্যাচে নয় জয়ে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপার স্বপ্ন দেখছে নাঈম-মুমিনুলরা।
আবাহনী ও রূপগঞ্জ ছুটছিল সমানতালে। নয় ম্যাচে আট জয়ে দুই দলেরই পয়েন্ট ছিল ১৬। এগিয়ে যাওয়ার দ্বৈরথে রূপগঞ্জের কাছে পাত্তাই পায়নি জাতীয় দলের একঝাঁক তারকা ক্রিকেটার নিয়ে গড়া আকাশী-নীল শিবির।
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ১২৩ রানের সহজ লক্ষ্যে অনায়াসেই পৌঁছায় গত আসরের রানার্সআপরা। ২৬.৫ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় চার উইকেট হারিয়ে।
রূপগঞ্জ ওপেনার মেহেদী মারুফ করেন ৫৯ রান। নাঈম শেখ ২২, মুমিনুল হক ১৭ ও শাহরিয়ার নাফীস অপরাজিত থেকে করেন ১২ রান।
ওপেনিং জুটিতে আসে ৬২ রান। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে কাভারে নাঈম ক্যাচ তুলে দিলে ভাঙে জুটি। দলীয় ১০৭ রানের মাথায় রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল। আর ২ রান যোগ হতেই নাজমুল ইসলাম অপুর বলে বোল্ড হন মেহেদী মারুফ।
জয় থেকে যখন ১২ রান দূরে রূপগঞ্জ, তখন সাব্বির রহমানের বলে বোল্ড হন জাকের আলী অনিক (২)। অধিনায়ক নাঈম ইসলাম ৩ ও নাফীস দুই অঙ্ক ছুঁয়ে দলকে নিয়ে যান জয়ের বন্দরে।
শুভাশীষ রায় ও মোহাম্মদ শহিদের পেস তোপে মাত্র ১২২ রানে গুটিয়ে যায় আবাহনী। অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন। মোহাম্মদ মিঠুন করেন ৩৮।
শেষদিকে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ১০ বলে ২ ছক্কায় করেন ১৫ রান। সৌম্য সরকারের ব্যাটে আসে ১৪ রান। বাকি কেউই স্পর্শ করতে পারেননি দুই অঙ্ক।
দারুণ বোলিং করেছেন রূপগঞ্জের পেসার শুভাশীষ। সকালে আবাহনীর প্রথম তিন উইকেট তুলে নেন এ পেসার। ২১ রানের মধ্যে জহুরুল ইসলাম অমি (০), নাজমুল হোসেন শান্ত (৬), সৌম্যকে হারিয়ে বিপর্যয়ের শুরু আবাহনীর।
ভারতীয় রিক্রুট প্রিয়াঙ্ক পাঞ্চাল (১) ও সাব্বির রহমানকে (০) দ্রুতই সাজঘরে পাঠিয়ে দেন আরেক পেসার শহীদ। ২৯ রান তুলতেই পাঁচ উইকেট হারায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। পরে মোসাদ্দেক ও মিঠুনের প্রতিরোধে দলীয় শতক পার করে তারা।
বাঁহাতি স্পিনার নাবিল সামাদ নেন দুটি উইকেট। একটি করে উইকেট নেন রিশি ধাওয়ান ও মুক্তার আলী।









