সিলেটের মদনমোহন কলেজে ছাত্রলীগকর্মী আবদুল আলীকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ছাত্রলীগ কর্মী প্রণজিত দাশ।
শনিবার দুপুরে মহানগর হাকিম ৪র্থ আদালতের বিচারক আনুয়ারুল হকের কাছে প্রণজিত দাশ ছাত্রলীগ কর্মী আবদুল আলীকে কেন হত্যা করেছেন তার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। এসময় ম্যাজিস্ট্রেট প্রণজিত দাশের বক্তব্য ফৌজদারী আইনের ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করেন। পরে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে আবদুল আলীর বাবা আলকাস মিয়া বাদী হয়ে সিলেট কোতয়ালী থানায় ৯ ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রণজিত দাশকে দুই দিনের রিমান্ডে নেয় কোতোয়ালী থানা পুলিশ।
বুধবার সকালে ছাত্রলীগকর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটির জেরে ছুরিকাহত হন দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল আলী। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেলা আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে প্রণজিত দাশ ও আঙ্গুর মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেছেন নিহতের বাবা-মা।






