আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলায় ১০ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহতের ঘটনায় কোনো মার্কিন সৈন্য বা কর্মকর্তার শাস্তি হবে না বলে দায়মুক্তি দিয়েছে পেন্টাগন। কাবুল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আগের দিন ওই ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিলো।
বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতে চলে গেলে, দেশটির বহু নাগরিক দেশ ছাড়তে বিমানবন্দরে জড়ো হয়। এ সময় বিমানবন্দর এলাকায় ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ১৭০ জন বেসামরিক নাগরিক ও ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হন। আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের আফগানিস্তান শাখা আইএস-কে (ইসলামিক স্টেট খোরাসান) এর দায় স্বীকার করে।
ওই হামলার কয়েকদিন পর ড্রোন হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় ত্রাণ কর্মী জামাইরি আহমাদি এবং তার ৭ জন শিশুসহ পরিবারের মোট ৯ জন সদস্য নিহত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা জানায়, ত্রাণকর্মী আহমাদির ব্যক্তিগত গাড়িকে আইএস-কে’র সাথে সংশ্লিষ্ট একটি ভবনের কাছে দেখা যায়। যার কারণে ওই গাড়িকে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীর গাড়ি ভেবে তাতে ড্রোন হামলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার কমান্ডের জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জি ২৯ আগস্টের এই হামলাকে ‘ভয়াবহ ভুল’ বলে আখ্যায়িত করেন।
পেন্টাগনের গত মাসে প্রকাশিত একটি অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় এই সিদ্ধান্ত উঠে আসে যে, এই ঘটনায় যেহেতু কোনো আইন ভঙ্গ হয়নি এবং কোনো অবহেলা বা অসদাচরণ হয়নি, তাই এজন্য কারো বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না।
কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন এই পর্যালোচনা অনুমোদন করেন।









