‘আন্টি যাইয়েন না আপনার পায়ে পড়ি; আপনি চলে গেলে আমি রোগীই পাবো না’ এ কথা বাস্তব নয়, নাটকের শেষ দৃশ্য। চিকিৎসক রোগীর মন গলাতে না পেরে পায়ে ধরে আহাজারি করতে লাগে। এমনই এক নাটক প্রর্দশন করে মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ফলে আবারও পরীক্ষা নেয়ার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
শনিবার সকাল ১১ টা থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জড়ো হয় শহীদ মিনারে। এরপর সেখানে তারা ব্যঙ্গচিত্র, আলোকচিত্র এবং গণসাক্ষরতা অভিযান শুরু করে। পরে শহীদ মিনার বেদীতে ব্যঙ্গাত্মক নাটক প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা। এরপর তাদের কার্যক্রম দুপুর ২ টায় শেষ হয়।
দুপুরে শুরু হওয়া নাটকে এবারে মেডিকেল ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের রূপক তুলে ধরা হয়। সেখানে দেখানো হয় একজন ছাত্র কিভাবে না পড়ে বাবার টাকায় প্রশ্ন কিনে মেডিকেলে পড়ার সুযোগ পায়। দেখানো হয় এই ছাত্ররা যখন ডাক্তার হয়ে পাশ করে বের হবে তখন তারা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ইন্টারনেট থেকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে ডাক্তারী পরামর্শ দিয়ে থাকে। আবার বলা হয় এই ব্যাচ কিভাবে ডাক্তারী পেশাটাকে কলঙ্কিত করে তুলবে।
বরিশাল থেকে আন্দোলনের সংহতি জানাতে এসে ডা. মনিষা চৌধরী বলেন, এটা একটা নৈতিক আন্দোলন। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের আশা পূরণ করতে এ আন্দোলনে সমর্থন জানাতে এসেছি।
তিনি আরো বলেন, দেখেন শুধু আমরা নই এ কার্যক্রমে সংহতি জানাতে বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা আসছে অভিভাবকরাও যোগ দিয়েছেন।
আন্দোলনে আসা শিক্ষার্থী রোকেয়া আহমেদ বৃষ্টি বলেন, সরকার আমাদের স্বপ্ন নিয়ে খেলা করছে। তারা এক রাতে কি করে এতো ব্রিলিয়ান্ট হয়ে যায় আমি বুঝি না।
কুমিল্লা থেকে আসা এক শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমার মেয়েটা রেজাল্টর পরে থেকে ঘর থেকে বের হয় না; কারো সাথে কথা বলে না। তাকে আমি বুঝাইতেই পারছি না।
আগামীকাল রবিবার আন্দোলনকারীরা ১০টার দিকে শহীদ মিনারে জড়ো হবে। এরপর তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা শুরু করবে।






