আরো ৬ জামায়াত, এক আওয়ামী লীগ ও এক আলবদর নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে তদন্ত সংস্থা। তাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা, গণহত্যা ও নির্যাতনসহ ১০টি অভিযোগ আনা হয়েছে।
একাত্তরে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মুসলিম লীগ নেতা ছিলেন লিয়াকত আলী। সেসময়ে রাজাকার বাহিনীতে থেকে মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত হন। পরে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সুযোগে ওই থানার আওয়ামী লীগের সভাপতি হলেও বর্তমানে সেই পদে নেই।
আর কিশোরগঞ্জের রজব আলী মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আলবদর বাহিনী গঠন করে অপরাধ সংগঠিত করে। যার জন্য দালাল আইনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও হয় তার। ১৯৮১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে মুক্তি পায়।
তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক আবদুল হান্নান খান জানান, আসামী লিয়াকত আলী লাখাই থানার আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলো। কিশোরগঞ্জের আসামী আমিনুল ইসরাম ওরফে রজব আলী তার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সবসময় যুক্ত ছিলো।
গাইবান্ধার জামায়াতের সাবেক এমপি আবদুল আজিজ মিয়া ওরফে ঘোরামারা আজিজ, রহুল আমিন, আবদুল লতিফ, আবু মুসলিম মোহাম্মদ আলী, নাজমুল হুদা, আবদুর রহিম মিয়াসহ ৬ জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তথ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায় তদন্ত সংস্থা। সমন্বয়ক জানান, তাদের সবারই অপরাধের ধরণ একই – হত্যা, গণহত্যা, অবৈধভাবে আটক, নির্যাতন, অপহরণ ও লুণ্ঠন।
তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে বর্তমানে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত ৬৯ জন আসামী পলাতক আছে। তাদের গ্রেফতার ও হাজিরের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রধানের নেতৃত্বে অবিরাম অভিযান পরিচালনা করার এবং সম্পত্তি ক্রোকের বিধান রাখা উচিত বলে মত দিয়েছে তদন্ত সংস্থা।






