‘মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকার অপরাধ আইন’ এবং ‘মুক্তিযুদ্ধের ভিকটিমদের ক্ষতিপূরণ আইন’ প্রণয়নের বিষয়ে ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’র প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ আইন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবিরের নেতৃত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের অন্যতম উপদেষ্টা বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সহ-সভাপতি শহীদজায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, সাধারণ সম্পাদক কাজী মুকুল ও আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ।
আইন কমিশনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক, কমিশনের সদস্য সাবেক বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবির ও অধ্যাপক ড. শাহ আলম সহ অনান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।
বৈঠকে নির্মূল কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, ’৭১ এর গণহত্যা ও ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ অস্বীকার সহ মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃত ইতিহাস বিকৃতি বন্ধ করতে হলে অবিলম্বে ইউরোপের ‘হলোকস্ট ডিনাইয়াল এ্যাক্ট’ এর মতো ‘মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকার অপরাধ আইন’ প্রণয়ন করতে হবে।
নেতৃবৃন্দরা আরও বলেন, প্রয়োজনীয় আইন না থাকার কারণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল সাজাপ্রাপ্তদের স্থাবর অস্থাবর সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিতে পারেননি। ভিকটিমদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া না হলে তাদের ৪৪ বছরের দুঃসহ যাতনার বিচার অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
বাংলাদেশ আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতি ইতিহাস বিকৃতকারীদের বিচারের জন্য কমিশন প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি এ বিষয়ে নির্মূল কমিটির সহযোগিতাকে স্বাগত জানান।
নির্মূল কমিটির পক্ষ থেকে আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে এসব আইন প্রণয়নের বিষয়ে আইন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।






