কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একুশে পদক প্রাপ্ত সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন: ঝর্ণাধারা চৌধুরী সারাজীবন মহাত্মা গান্ধীর অহিংসার বানী প্রচার করেছেন। আমরা যদি তার এ আদর্শকে ধারণ করি তাহলে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে৷
শুক্রবার জাতীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের জনগণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার মরদেহ আনা হলে সেখানে তিনি এ কথা বলেন। নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার গান্ধী আশ্রমের সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরী। ২০১৫ সালে তিনি একুশে পদক লাভ করেন। ২০১৩ সালে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রী অর্জন করেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন: ঝর্ণাধারা চৌধুরী সারা জীবন মহাত্মা গান্ধীর অহিংস বাণী প্রচার করে গেছেন। তিনি শুধু সেটা প্রচার করেই থেমে থাকেননি, তার ত্যাগের যে আদর্শ সেটা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি তা ধারণ করেছেন এবং প্রচার করেছেন৷
শান্তি প্রতিষ্ঠায় মহীয়সী এ নারীর অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন: শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংস বাণী থেকে বড় কিছু আর হতে পারে না। ঝর্ণাধারা চৌধুরীর আদর্শকে যদি আমরা অনুসরণ করি তাহলেই তার প্রতি সঠিক শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। তার আদর্শ অহিংসার আদর্শ, অসাম্প্রদায়িকতার আদর্শ, মানবতাবদী চেতনার আদর্শ৷
আমরা যদি সেটা ধারণ এবং পালন করি তাহলে তার স্মৃতির প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে বলে শেষ করেন কাদের।
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের পর গত ২ জুন ঝর্ণাধারা চৌধুরীকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে গত সপ্তাহে স্ট্রোক করার পর থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি।
লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের কালুপুর গ্রামে ১৯৩৮ সালের ১৫ অক্টোবর ঝর্ণাধারা চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম গান্ধীয়ান প্রথম চৌধুরী ও মায়ের নাম আশালতা চৌধুরী।









