আগের সিরিজেই ভারত দেখিয়ে দিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জয় সম্ভব। শ্রীলঙ্কান খেলোয়াড়দের মনেও হয়ত উঠেছিল আশার বুদবুদ, এবারই সেরা সুযোগ! কিন্তু ব্রিসবেন টেস্টের প্রথমদিনেই অজি পেসাররা বুঝিয়ে দিয়েছেন, লঙ্কানদের বিপক্ষে ভারত সিরিজের ভুলটা করছেন না তারা।
ব্রিসবেনে দিবা-রাত্রির টেস্টের প্রথম রাতে সুবিধাজনক অবস্থায় থেকে বিছানায় গেছে অস্ট্রেলিয়া। শুরুর দুই সেশনে লঙ্কানদের ১৪৪ রানে অলআউট করে পরে ২ উইকেট হারিয়ে ৭২ রান তুলেছে স্বাগতিকরা।
নতুন দুই মুখকে অভিষেক করিয়ে শুরুতে ফিল্ডিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া। একজন ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে ঝলক দেখানো পেসার জাই রিচার্ডসন। জশ হ্যাজেলউডের চোটের কারণে তাকে টেস্ট দলে রাখতে একটুও ভাবতে হয়নি নির্বাচকদের।
অন্যজন তুলনামূলক একটু অপরিচিতই। তবে নামের পাশে আছে ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ এক রেকর্ড। শেফিল্ড শিল্ডে সবচেয়ে কমবয়সী সেঞ্চুরিয়ান কার্টিস প্যাটারসন কীর্তি গড়ার আট বছর পর রিচার্ডসনের সঙ্গে অভিষিক্ত হয়েছেন জাতীয় দলে।
মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান হওয়ায় প্যাটারসন এখনো নিজের ব্যাটিং দক্ষতা দেখানোর সুযোগ পাননি। তবে বল হাতে রঙিন পোশাকের ঝলক সাদা পোশাকেও বজায় রেখেছেন রিচার্ডসন। অভিজ্ঞ দুই পেসার মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন। তিনজনে মিলিয়ে সাজঘরে ফিরিয়েছেন ৯ লঙ্কান ব্যাটসম্যানকে।
৩৯ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছেন কামিন্স। ৩ উইকেট পেয়েছেন রিচার্ডসন। ২ উইকেট শিকার স্টার্কের। বাকি উইকেটটি পেয়েছেন স্পিনার নাথান লায়ন।
ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার জো বার্নস ও উসমান খাজাকে হারালেও এক প্রান্ত সামলে রেখেছেন আরেক ওপেনার মার্কাস হ্যারিস। ৪০ রানে অপরাজিত আছেন বাঁহাতি ওপেনার। লিড নিতে অজিদের করতে হবে আরও ৭২ রান।
সেখানে লঙ্কানদের চার ব্যাটসম্যান দুঅঙ্ক ছুঁয়েছেন। সর্বোচ্চ ইনিংসটি ডিকেভেল্লার ৬৪, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ করুনারত্নের ২৪ রান।









