চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

‘দেবী’র চরিত্রে জয়া ‘ন্যাচারাল কাস্ট’

চ্যানেল আই অনলাইন by চ্যানেল আই অনলাইন
8:57 অপরাহ্ন 25, অক্টোবর 2018
in তারকাকথন, সেলিব্রিটি সোশ‌্যাল
A A
দেবী

জয়া আহসান প্রযোজিত প্রথম সিনেমা দেবী। গত ১৯ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার পর ইতোমধ্যেই জয় করেছে দর্শকের মন। এরই ধারাবাহিকতায় দেবী সিনেমা নিয়েই ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মানস চৌধুরী।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন: ‘‘জয়া আহসান প্রযোজিত, অনম বিশ্বাস পরিচালিত, ‘দেবী’ আমার দেখতে যাবারই কথা। তা ছবিটির প্রযোজকের তারকাখ্যাতির কারণে নয়; তিনি আমার স্ত্রীর বান্ধবী বলেও নয়। (বাংলাদেশী) চলচ্চিত্রে নারীর পক্ষে প্রযোজনা (বা পরিচালনা) অসম্ভবপ্রায় এক কাজ বলে খানিকটা। তার চেয়েও বড় কারণ এই শেষ দু’তিন বছরে আমি নিয়মিতই চেষ্টা করছি নানাবিধ ছায়াছবি হলে গিয়ে দেখতে। আমার এই দর্শক-ভূমিকা পরিচিত কেউ কেউ ‘বাংলা ছায়াছবি জেগেছে’ দিয়ে বুঝবার চেষ্টা করছেন। আদতে তারা আসলে মধ্যবিত্ত ‘রুচি’ বিষয়ক এক কষ্টিপাথর দিয়ে ছায়াছবির দিকে তাকান। তাই হলসমূহের এই পরিমাণ বিনাশের পরও ‘জাগা’ বিষয়ক হাস্যকর থিসিসটা জাগরুক রেখেছেন। বাস্তবে আমার রুচির কোনো বাতিক নাই। আমি নানাবিধ ছবিই দেখছি, আগেও দেখতাম। ‘অবুঝ মন’ থেকে ‘সবুজ সাথি’; ‘চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা’ থেকে ‘বেদের মেয়ে জোসনা’; ‘বেদ্বীন’ থেকে ‘চাচ্চু’।

তারপরও ‘দেবী’র পয়লা শোতে ঢুকতে পারা আমার সাধ্যাতীত হতো। এজন্য আমার গিন্নি, জয়া ও আমি সকলেই ধন্যবাদার্হ। ভাগ্যিস আমি জয়ার সেসব বান্ধবীর একজনকে বিয়ে করতে পেরেছিলাম যারা জয়ার খাস টিকেটগুলোর দুটো করে দাম্পত্যমূলক সংগ্রহ করতে পেরেছেন! সিনেপ্লেক্সে সিনেমা দেখতে আমার কম ভালো লাগে। মূলত এর বাইরে স্মৃতির সিনেমা হলগুলোর কোনো লক্ষণ দেখা যায় না বলে। তবে আমি ঢাকার বাইরে একাধিক হলে সাম্প্রতিক কালে সিনেমা দেখতে গিয়ে একই বেদনার মুখোমুখি হয়েছি। সেসব হলের হতশ্রী দশার কারণে; আর সিনেপ্লেক্সে বাজারীয় ও আর্কিটেকচারের জৌলুসের মধ্যে হলটাই অদৃশ্য হয়ে যাবার কারণে। কিন্তু অস্বীকার করার উপায় নেই যে সিনেপ্লেক্সের উদ্যোক্তারা ঝকঝকে একটা পর্দা দেখান। সেটা ছায়াছবির জন্য অতীব জরুরি।

‘দেবী’ নিয়ে অনেকের আগ্রহ এর গল্প হুমায়ূন আহমেদের অতিজনপ্রিয় সাহিত্য থেকে নেয়া বলে। সাহিত্যকর্ম থেকে বানানো ছায়াছবিতে আমি সাহিত্যিককে মাথায় নিয়ে যাই না। বড় হবার পর কোনোদিনই। এদুটো মাধ্যম এত আলাদা যে আমার কখনো ওই বয়ে-নিয়ে-চলা কাজের কাজ মনে হয়নি। হুমায়ূন-সাহিত্য আমার অল্পই পড়া। কিন্তু ‘দেবী’ আমার পড়া ছিল। মনে ছিল না। মনে থাকলেও তা কোনো ঝামেলা করত না। আমি ছায়াছবিতে আদিগল্প খুঁজিই না। মনে থাকলে নিজমনে তুলনা করতে পারি। কিন্তু সেটা ছবির মেরিট বোঝার কোনো মানদণ্ড হিসেবে দেখি না। কথাটা এলো এজন্য যে এরই মধ্যে কারো কারো মন্তব্যে প্রসঙ্গটা কানে এসেছে।

‘দেবী’ ঝকঝকে একটা গল্প-বলা। পরিশেষে আমার জন্য সিনেমার সংজ্ঞা খুব সরল। পর্দায় গল্প দেখা। আমি জেনেছি অনম বিশ্বাসের এটা প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য পরিচালনা। সেটা না জানলেও গল্প-বলার দায়িত্বে তাকে আমার ছিমছামই লাগত। সাফ মাথায় দৃশ্যগুলো তিনি কল্পনা করতে পেরেছেন বলেই মনে হয়। চিত্রনাট্য কার এখন ভুলে গেছি, কিংবা সম্পাদনা। কিন্তু পরিচালক-চিত্রনাট্যকার-চিত্রসম্পাদক এই ত্রয়ীর যোগসাজশ ঠিকঠাক ছিল সেটা দর্শক হিসেবে প্রথমেই মনে হয়েছে। একাধিক ছবি দেখতে বসে যোগাযোগহীনতা বা টানাপোড়েনের গন্ধ পাওয়া যায়। বা বলা চলে সাজুয্য/কোঅর্ডিনেশনহীন টিমের কাজ দেখছি।

একটা আধিভৌতিক/অলৌকিক গল্পে একজন কঠোর বিজ্ঞানমনস্ক লোক আছেন – মিসির আলি। এই চরিত্রে অভিনয়ের চ্যালেঞ্জ এমনিতেই অনেক। কিন্তু চঞ্চল চৌধুরীর জন্য বিষয়টা আরো কঠিন ছিল। হাজার হাজার লোক হুমায়ূন আহমেদের কিতাবের ‘মিসির আলি’কে দেখতে গেছেন। সেটা এই চরিত্র করার জন্য অত্যন্ত চাপের (ছিল)। এর কাছাকাছি বাংলা ভাষায় এত চাপ হয়তো ফেলুদাসমূহেরই বহন করতে হয়েছে। কিন্তু চঞ্চলের অভিনয়দক্ষতা এখন আলাপের জন্য বাহুল্য। তার কণ্ঠস্বর ও কণ্ঠভঙ্গি এমনিতেই আধাকাজ সোজা করে দেয়। গত কয় বছরে এমনসব ছবিতে এমন বিভিন্ন কাজে একই রকম দক্ষতা দেখিয়েছেন তিনি, তার কাছ থেকে ‘মিসির আলি’ লোকে বেশিই আশা করবেন। তিনি দারুণ করেছেন। অন্তত লাগাতার চরিত্রে নিবিষ্ট, একরকম। সেটা এই চরিত্রের জন্য কঠিন। নির্মাতা এবং অভিনেতা মিসিরকে উপন্যাসের তুলনায় কম ‘উদ্ভট’/অবনক্সাস বানিয়েছেন। যারা হুমায়ূনের ‘মিসির আলি’ মাথায় নিয়ে হলে ঢুকেছেন তাদের সেটা খানিক হতোদ্যম করতে পারে (বলেছিলাম যে আমি মাথায় বহন করি না; কিন্তু আদিগল্পের বিষয় আশয় মাথায় আলাদা করে রেখে তুলনা করতে পারি)।

তবে যদি গভীরভাবে ভাবতে বসি, মিসিরের অপেক্ষাকৃত কম উদ্ভটতা (উপন্যাস/সিরিজের তুলনায়), বেশি প্রেডিক্টিবিলিটি অন্তত দুটো কারণে ছবিতে জরুরি ছিল। এক. ছায়াছবির দৃশ্যায়নে যুক্তিশীলতা সুলভ করবার জন্য; দুই. চলচ্চিত্রটিতে ‘দেবী’র উপর অধিক গুরুত্ব দেবার জন্য। আমার দুয়েক নারীবাদী বন্ধুকে বলতে শুনেছি ছবিটি নারীবাদী। নারীবাদের নানান মাত্রা/গুণ বিবেচনা করে এই দাবিকে আমি সমর্থনই করব। আর মিসিরের বাসগৃহটা দৃশ্য হিসেবে দুর্দান্ত। ভোরের আলো বা মধ্যরাতের সাজে ঘরটা মায়াবী হতে পেরেছে।

আনিসের চরিত্রে অনিমেষ আইচ অনবদ্য। নানান কারণে অনবদ্য। অনিমেষকে সামনাসামনি দেখেছি বলে তিনি যে ‘সুপুরুষ’ সেটা জানতাম। কিন্তু পর্দায় না দেখলে তিনি কত রূপবান খেয়াল করা হতো না। আমি টিভি নাটকে কখনো তাকে দেখে থাকলেও ভুলে গেছি। আনিসের চরিত্রে বেপরোয়া উৎকণ্ঠা আর গভীর বেদনাময় নির্লিপ্তি দিয়ে তিনি রূপদান করেছেন। রাণু/দেবীর স্বামী হিসেবে এটাই সর্বোৎকৃষ্ট রূপায়ন হয়েছে। আনিসকে তার কর্মজগতে, এমনকি গৃহস্থালি কাজকর্মে দেখা যায় না। ফলে স্ত্রীর সঙ্গে ও স্ত্রীর ‘অসুখ’জনিত উৎকণ্ঠাই তার একমাত্র উপায় ছিল। তিনি দারুণভাবে নিয়েছেন।

নিলুর চরিত্রে শবনমকে আমার খুব ভাল লেগেছে। ওর সংশয়, দ্বিধা, প্রেমে পড়ার আড়ষ্টতা, নতুন একটু বয়সে-বড় সখীকে পাবার আনন্দ, ছোটবোনের সঙ্গে খুনসুটি এসবে মায়াকাড়া লেগেছে। শবনমের অভিনয় এই প্রথম দেখছি। নিলু হিসেবে তার পর্দা উপস্থিতি মিত ও সুন্দর।

তুলনায় ইরেশ যাকেরের দক্ষতা দেখার সুযোগ কম পেয়েছি বলে মনে হলো। তিনি এমন তিনটা মাত্র স্থানে/সেটিংয়ে দৃশ্যমান হয়েছেন যা খোলতাই হবার জন্য যথেষ্ট নয়। তাকে দেখা গেছে রেঁস্তোরায়, নিলুর সাথে। গাড়িতে, নিলুর সাথে। আর অতি অবশ্যই নিজ ল্যাবে, নিলুর সাথে, যখন নিলুকে তিনি খুন করবেন। সেই ল্যাবের বস্তুপিণ্ড/প্রপস অনেক সীমিত করেছে ইরেশকে।

আর রইলেন ‘দেবী’ ওরফে রানু। জয়া আহসান, ছবির প্রযোজক। দুই বাংলায় অমিত জনপ্রিয় জয়া ভাল করবেনই, এটা সকলেরই ধারণা বা আশা ছিল। জয়াকে এই চরিত্রে লাগতই বোধহয়, তিনি প্রযোজক না হলেও। মানুষের মাথায় দেবীমূর্তির যে কল্পনা, সেরকম একটা রূপ জয়ার মুখে বছরের পর বছর ধরে আছে। তিনি এই চরিত্রে ‘ন্যাচারাল’ কাস্ট। রানুকে তিনি স্পষ্টতা, সারল্য, (নিজ ‘অসুখ’ বিষয়ে) উৎকণ্ঠাহীন, মমতাময়; আবার কিশোরীসুলভ, জড়তাহীন (মিসির আলির সঙ্গে ভয়ডরহীন কথাবার্তা), ঋজুতা দিয়ে সাজিয়েছেন। অবশ্যই ভয় পাবার মুহূর্তগুলো বাদে। জয়ার উপস্থিতি বরাবরই নজরকাড়া। এখানেও ব্যতিক্রম নন তিনি।’’

Tags: চঞ্চল চৌধুরীজয়া আহসানদেবীমিসির আলীহুমায়ূন আহমেদ
Previous Post

তনুশ্রীর বিরুদ্ধে রাখীর কড়া অভিযোগ

Next Post

টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রস্তুত বাংলাদেশ

Next Post

টিকে থাকার লড়াইয়ে প্রস্তুত বাংলাদেশ

বেলকেও ছাড় দিল না স্প্যানিশ কর কর্তৃপক্ষ

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT