অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানো, শৃঙ্খলাভঙ্গ, মাঠেই কিশোর দর্শক পেটানো, শিশু নির্যাতন, সাংসারিক কলহ থেকে বিবাহবিচ্ছেদ, স্ত্রী নির্যাতন, গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে; সাম্প্রতিক সময়ে এমনসব কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন জাতীয় দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। কেউ কেউ জেল খেটেছেন, কেউ হয়েছেন ফেরারি। এরসঙ্গে ক্রিকেটারদের দৃষ্টিভঙ্গির সম্পর্ক খুঁজে পাচ্ছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
ক্রিকেটারদের মনোজগত থেকে অপরাধমূলক প্রবণতা দূর করতে এবার তাই দেশের বাইরে থেকে মনোবিদ আনতে যাচ্ছে বিসিবি। এছাড়া কোনো সিরিজ চলাকালীন সময়ে ক্রিকেটারদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে রাখার আইন করার কথাও ভাবা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার মিরপুরে বোর্ড পরিচালকদের সঙ্গে সভা শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান বললেন, ‘আমরা সাইকোলজিস্ট নিয়ে আসার কথা ভাবছি। খেলোয়াড়দের এই ব্যাপারে একটু ট্রেনিং দেয়া যায় কিনা। আমরা তো খালি খেলায় জেতার জন্য ট্রেনিং দেই। এখন এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েও কিছু করা যায় কিনা। আমি কথা বলেছি অলরেডি। তারা যোগাযোগ শুরু করে দেবে।’
‘খেলোয়াড়রা কী করতে পারবে, কী পারবে না এ ব্যাপারেও কথা হয়েছে। আজকেও একটা প্রস্তাব এসেছে, উদাহরণস্বরূপ- যখন তারা ট্যুরে যায় তখন সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ বন্ধ, এটা করব কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেইনি। কিন্তু এটা নিয়ে গাইডলাইন তৈরি করছি। তারা কী কী পারবে, আর কী পারবে না তালিকা করে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে দিয়ে সই করাব। তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হবে। সবকিছুর পরও কিন্তু ওদের নিজেদেরই ভালো হতে হবে। জোর করে কাউকে ভালো করানো যায় না। ওরা নিজেরা ভালো না হলে আমাদের কিছু করার নাই, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।’ -ক্রিকেটারদের শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে বললেন বিসিবি সভাপতি।
এর আগে ক্রিকেটারদের ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিংয়ের দক্ষতা উন্নয়নে একাধিকবার মনোবিদের শরণাপন্ন হয়েছিল বিসিবি। সবশেষ ২০১৪তে বছরজুড়ে বাংলাদেশ দল বাজে পারফরম্যান্সের পর কানাডাপ্রবাসী মনোবিদ আলী আজহার খানকে তিন দিনের জন্য উড়িয়ে আনা হয়।









