যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রধান একটি দলের পক্ষ থেকে প্রথম নারী প্রার্থী হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখালেন ডেমোক্রেটিক দলের হিলারি ক্লিনটন। যুক্তরাষ্ট্রের নারীদের জন্য এমন ঐতিহাসিক মুহূর্ত এনে দেয়ার জন্য সমর্থকদের ধন্যবাদ জানালেন তিনি।
নিউ ইয়র্কে এক র্যালিতে চিৎকার করে আনন্দ প্রকাশ করে হিলারি সমর্থকদের বলেন, ‘আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাদের কারণেই আমরা (যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা) একটি মাইলফলক অর্জন করতে পারলাম।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মনোনয়ন দৌঁড়ের সুপার টুয়েসডে’র প্রাইমারিতে ৬ টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে হিলারি নিউ জার্সি, নিউ মেক্সিকো এবং সাউথ ডাকোটায় জয়ী হয়েছেন। ক্যালিফোর্নিয়া এবং মন্টানাতেও জয়ের পথে তিনি।
অবশ্য নর্থ ডাকোটায় হিলারিকে পেছনে ফেলে জয়ী হয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী বার্নি স্যান্ডার্স। দু’জনই
ক্যালিফোর্নিয়ার ককাসে জয়কে খুব গুরুত্ব দিচ্ছেন। স্যান্ডার্স ক্যালিফোর্নিয়ায় জয়ী হওয়ার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী। যদিও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই অঙ্গরাজ্যে হিলারি-স্যান্ডার্সে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
তবে ক্যালিফোর্নিয়া আর মন্টানায় জিতে গেলেও আর ডেমোক্রেটিক দলের মনোনিত প্রার্থী হতে পারবেন না স্যান্ডার্স। কারণ মনোনয়ন পাওয়ার জন্য মোট ২ হাজার ৩৮৩ ডেলিগেটের সমর্থন পেতে হবে প্রার্থীকে। এখন পর্যন্ত হিলারি ক্লিনটন মোট ২ হাজার ৪৯৭ ডেলিগেটের সমর্থন পেয়েছেন। আর বার্নি স্যান্ডার্স সমর্থন পেয়েছেন ১ হাজার ৬৬৩ টি।
এখনো বাকি থাকা ৬০৫ জন ডেলিগেটের সবার সমর্থন পেলেও আর স্যান্ডার্সের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দেখা যাচ্ছে না। স্যান্ডার্স যদিও জুলাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য দলীয় সভায় সুপার ডেলিগেটদের সমর্থন লাভের আশায়
আছেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারমাউন্টের এই সিনেটরের সেই আশায় গুঁড়ে বালি পড়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।
অন্যদিকে রিপাবলিকান শিবিরে সবাইকে পেছনে ফেলে ৫টি অঙ্গরাজ্যে জয় পেয়েছেন ধনকুবের ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান শিবিরের নর্থ ডাকোটার ফল এখনো আসেনি। এখনো বাকি রয়েছে ৯৬ ডেলিগেটের সমর্থন। তবে ইতোমধ্যেই ১ হাজার ২৩৭ ডেলিগেটের সমর্থনের শর্তের প্রেক্ষিতে ১ হাজার ৪৭৭ টি ভোট পেয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে রিপাবলিকান দলের মনোনীত প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ঘোষিত হয়েছেন ট্রাম্প।









