কুড়ি বছর আগের কৃষ্ণসার হত্যা মামলায় রায় হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। আর এ রায়ে ৫ বছরের জেল হয়েছে বলিউডের ভাইজান খ্যাত তারকা সালমান খানের। যার ফলশ্রুতিতে কয়েদি হিসেবে একরাত জেলখানায় কাটালেন তিনি। কতোদিন সেখানে থাকতে হবে তা জামিন শুনানি না হওয়া পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না।
লাখো ভক্তের প্রিয় এই সুপারষ্টার যোধপুর কারাগারের ১০৬ নং কয়েদি হিসেবে আছেন ২ নাম্বার কেবিনে।এবং প্রথম দিনেই জেলখানার সব কয়েদির মত তাকেও জেলের সাধারণ খাবার ডাল এবং রুটি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছেন।
জেল সুপার বিক্রম সিংহ মিডিয়াকে জানান: সালমান খানকে কারাগারে স্পেশাল কোন সুবিধা দেওয়া হচ্ছেনা। এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন যে সালমানকে একটি সাধারণ বিছানা, একটি কম্বল ও একটি কুলার দেওয়া হয়েছে। খাবারের ক্ষেত্রেও তাকে জেলের সাধারণ খাবার ডাল, চাপাতি রুটি এবং সাথে খিচুড়ি দেয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন। তবে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
বহুদিন ধরেই চলছিলো সালমানের এই কৃষ্ণসার হত্যা মামলাটি। একই মামলায় আসামি ছিলেন সাইফ আলী খান, সোনালী বিন্দ্রে, টাবু ও নিলম কুঠরী। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন। কিন্তু হরিণ হত্যার দায়ে ফেঁসে গেলেন সালমান। যোধপুর আদালতের নির্দেশে গত বৃহস্পতিবার ৫ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন ভারতের তুমুল জনপ্রিয় এই নায়ক। তার জামিন শুনানির কথা রয়েছে আগামি ৭ এপ্রিল শনিবার।









