মাগুরায় বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত বিনা তিল দুই, বিনা তিন ও বিনা তিল চার চাষে কৃষকের আগ্রহ বেড়েছে। কৃষক জানান, এ জাতের তিলের ফলন প্রচলিত চাষের দ্বিগুণ। পোকার আক্রমণ কম হওয়ার পাশাপাশি তেমন খরচও নেই সারের।
একজন কৃষক বলেন, এই তিল অনুউর্বর জমিতেও হয়, সার খুব কম দিলেও হয়। আর এটা অল্পদিনের ফসল, ভালো ফলনও পাওয়া যায়। আরেকজন কৃষক বলেন, এটা আমাদের দেশের তিলের চেয়ে ভালোও বেশি, ফলনও বেশি। দেশেরটা ৫ হলে এটা আট মণ হয়।
বিনার বিজ্ঞানীরা জানান, এ জাতের তিলের চাষ দেশের ভৌজ্য তেলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিনার উদ্ভিদ প্রজণন বিভাগের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডক্টর এম এ মালেক বলেন, উচ্চ ফলনের জাতগুলো বিনা তিল দুই, বিনা তিন ও বিনা তিল চার এর ফলন গড় ফলনের চেয়ে প্রায় চারগুণ।
প্রচলিত জাতের তুলনায় বিনা তিলের জীবনকাল ১৫ দিন কম হওয়ায় ফসল আবাদের সুবিধা পাওয়া যায়। কৃষককে বিনা জাতের তিল আবাদে উৎসাহিত করতে আয়োজন করা হয় মাঠ দিবসের।






