ছিটমহল সমস্যার সমাধান দুদেশের মধ্যে জিইয়ে থাকা অমীমাংসিত ইস্যু মিটিয়ে ফেলার ক্ষেত্রে প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ভারত।
বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সংগঠনের সভায় ভারতীয় হাইকমিশনার পংকজ শরণ বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারতের নিয়তি একই সূতায় গাঁথা, কাজেই বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা ছাড়া উন্নতি কঠিন হবে।
দীর্ঘ ৬৮ বছরের দেশহীনতার দুর্ভাগ্য শেষে নাগরিকত্বের স্বাদ পেয়েছেন বাংলাদেশ-ভারতের ছিটের বাসিন্দারা। প্রতিবেশি দুই দেশের মধ্যে যুগ যুগ ধরে জিইয়ে থাকা সমস্যার অন্যতম ছিটমহল বিনিময়ের পর অন্য সমস্যা বিশেষ করে বাণিজ্য ঘাটতি মেটানো সময়ের ব্যাপার বলে বিশ্বাস করেন ব্যবসায়ীরা।
তবে পারস্পরিক অবিশ্বাস আর সন্দেহের ফেরে পড়ে দুদেশের মধ্যে বিদ্যুৎ বাণিজ্য শুরু হতে ৪২ বছর লেগে যাওয়া আর ট্রানজিট চুক্তি থাকার পরও এটা কার্যকর না হওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতাও আছে।
বিশ্বায়নের এই সময়ে ব্যবসায়ীরা রাজনীতিকে প্রভাবিত করতে পারেন সবচে বেশি, কাজেই সাধারণ মানুষের আয় বাড়াতে দুদেশের বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা পালনের আহবান জানান হাইকমিশনার।
স্বাগত বক্তব্যে ফরেইন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এফআইসিসিআই সভাপতি রূপালী চৌধুরী বড় প্রতিবেশি হিসেবে ভারতকে সব সময় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে রাখার আহবান জানান।






