রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে নিধনের যে পরিকল্পনা মিয়ানমার সরকার নিয়েছে তার বিরুদ্ধে কার্যকরী এবং কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে মার্কিন ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান, কংগ্রেসম্যান এডওয়ার্ড রয়েস এর সঙ্গে আলোচনায় বসেন লস এঞ্জেলেসের মুসলিম নেতৃবৃন্দ।
গত শনিবার বৃহত্তর লস এঞ্জেলেসের মুসলিম নেতৃবৃন্দ ওয়েস্ট কবিনা কান্ট্রি ক্লাবে এক মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে এই আলোচনায় বসেন।
ওই আলোচনা সভায় গ্রেটার লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশী কমিউনিটির প্রতিনিধিত্ব করেন লস এঞ্জেলেস সিটি কমিশনার মুজিব সিদ্দিকী যিনি ২০১০ সালে লস এঞ্জেলেসে “লিটল বাংলাদেশ” প্রতিষ্ঠায় মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। টেক্সাস থেকে আগত রোহিঙ্গাদের সাবেক মন্ত্রী উ সেও মাউং (আব্দুর রাজ্জাক) তার সম্প্রদায়ের উপর অমানুষিক নির্যাতনের এক করুন ও প্রচ্ছন্ন চিত্র তুলে ধরেন।
রোহিঙ্গা মুসলিমদের উপর নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য চেয়ারম্যান রয়েস সেপ্টেম্বর ৫ তারিখে অং সাং সুচির প্রতি কঠোর ভাষায় একটি পত্র পাঠান। উনার বক্তব্যে উনি কফি আনানসহ সবার সঙ্গে কথা বলে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের সর্ব প্রকার পদক্ষেপ নেবেন বলে আশ্বাস দেন।
চেয়ারম্যান এর আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলশ্রুতিতে আশা করা যাচ্ছে মার্কিন সরকার রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও ভাগ্য উন্নয়নে নতুন ও কার্যকরী নীতিমালা প্রণয়নে সচেষ্ট হবেন।
মুজিব সিদ্দিকী উনার বক্তব্যে এবং চেয়ারম্যান রয়েসের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলাপকালে বাংলাদেশের উপর ৩ লাখ ৭০ হাজার উদ্বাস্তুদের সীমাহীন চাপের কথা উল্লেখ করে এ সমস্যা সমাধানে মার্কিন সরকারের সব ধরণের সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করেন।
চেয়ারম্যান রয়েস রিফুজি ক্যাম্প পরিদর্শনের আশ্বাস দেন। লিটল বাংলাদেশ ইম্প্রোভমেন্টস এর কার্যনির্বাহী পরিচালক তার সংগঠনের পক্ষথেকে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশের জন্য সাহায্য ও সহযোগিতার স্বারক চেয়ারম্যানের হাতে প্রদান করেন। লিটল বাংলাদেশ ইম্প্রোভমেন্টস রোহিঙ্গা প্রতিনিধিকে “বক্তার সম্মানী” ফি দেন করে।
এই আয়োজনের মূল সমন্বয়কারীরা ছিলেন ইন্টারফেইথ লিডার মোহাম্মদ খান ও ড: রিজভী।









