বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরির মামলা তদন্তে সহায়তা চেয়ে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তির নাম ইন্টারপোলের মাধ্যমে আমেরিকা, চীন, ফিলিপিন্স ও শ্রীলঙ্কায় পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি নেটওয়ার্কে কেউ কোনো ফাঁক-ফোকর তৈরি করেছিলো কি না তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে তদন্তকারী সিআইডি কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে ইতোমধ্যেই বিদেশে অবস্থান করা কিছু দেশী-বিদেশী নাগরিককে সন্দেহের তালিকায় নিয়েছে সিআইডি। রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান শেষে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানান পুলিশ প্রধান।
ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘আমরা ইন্টারপোলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চারটি দেশ-ফিলিপিন্স, আমেরিকা, চীন, শ্রীলঙ্কায় সন্দেহভাজনদের বিষয়ে তদন্তের জন্য বার্তা পাঠিয়েছি। প্রয়োজন হলে অন্যান্য আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থার কাছেও সহায়তা চাওয়া হবে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মনে করছেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শাখার কিছু কর্মকর্তা কর্মচারীর সঙ্গে গোপন সখ্যতা তৈরি করেছিলো।
আইজিপি আরও বলেন, ব্যাংকের সুইফট কোড, আইটি সিস্টেমে কোনো ত্রুটি ছিলো কিনা সে ব্যাপারে আমরা তথ্য নিচ্ছি। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের বিষয়েও তদন্ত হচ্ছে। এজন্য সময় লাগবে।
মতিঝিল থানায় বাংলাদেশ ব্যাংকের করা মামলার তদন্ত করছে সিআইডির সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন বিভাগ।






