চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

কেন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ বাংলাদেশের কাছে খলনায়ক?

শাহাদাত হোসেন তৌহিদ by শাহাদাত হোসেন তৌহিদ
9:53 অপরাহ্ন 18, সেপ্টেম্বর 2026
in মতামত
A A

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ কি পাকিস্তান সৃষ্টি করেছিলেন? উত্তর: না। পাকিস্তানকে সেভাবে সৃষ্টি বলা যায় না, ১৯৪৭-এ ব্রিটিশদের শাসন থেকে সেপারেশন (আলাদা) হয়েছিল মাত্র। কিন্তু সৃষ্টি হয়েছিল বাংলাদেশ—নয় মাসের সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়েছিল। সুতরাং যারা যুক্তি দিচ্ছেন পাকিস্তান সৃষ্টি না হলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না, এটা একটা অবান্তর প্রশ্ন, স্থুল যুক্তি।

১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাবে তিনটা দেশের কথা বলা হয়েছিল। পশ্চিমে একটা দেশ (পরে পাকিস্তান), পূর্বে একটা দেশ (পরে বাংলা) বাকিটা ভারতবর্ষ। বাংলা বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পটভূমি লাহোর প্রস্তাবেই ছিল। কিন্তু লাহোর প্রস্তাবে জিন্নাহ’র ষড়যন্ত্র ও ‍কুট-কৌশলের কারণে বাংলা স্বতন্ত্র রাষ্ট্র হতে পারেনি। জিন্নাহ’র জন্যই তেইশ বছর ধরে পাকিস্তানের শোষণ-নির্যাতন-নিপীড়-বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছিল বাঙালিকে। ত্রিশ লাখ মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হয়েছিল। তিন লাখ নারীকে সম্ভ্রম হারাতে হয়েছিল। মরতে হলো অগনিত শিশুকে, বাংলার গ্রামকে গ্রাম আগুনে জ্বলতে হলো। কীভাবে? চলুন সেই পাঠ করি।

লাহোর প্রস্তাবে মুসলমানদের জন্য একাধিক স্বাধীন রাষ্ট্রের কথা বলা হয়েছিল, যে প্রস্তাব অনুযায়ী ১৯৪৭ সালেই বাংলা নামে আরেকটি মুসলমানপ্রধান রাষ্ট্র তৈরি হওয়ার কথা, সেই প্রস্তাবটিকেই পুরোপুরি ইঞ্জিনিয়ারিং করেছিলেন জিন্নাহ। জিন্নাহ states এর জায়গায় state করে নিয়েছিলেন। আবুল হাশিম প্রতিবাদ করলে জিন্নাহ বলেছিলেন, তার টাইপিস্ট নাকি ভুল করে states লিখেছিল। পরে s টি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্য ভাষার সবাই জিন্নাহকে সমর্থন করায় বাঙালি প্রতিনিধিরা হেরে গেলেন। জিন্নাহ সেই চিটিং না করলে ‘বাংলা’ ১৯৪৭ সালেই একটি স্বতন্ত্র স্বাধীন দেশ হতে পারত। সেখানে আসাম, ত্রিপুরা, কলকাতাসহ বাংলাভাষাভাষী অনেক অঞ্চল আমাদের থাকত, যেটা অখণ্ড বাংলা বলি আমরা। জিন্নাহর একক ষড়যন্ত্রের কারণে তা হাসিল হয়নি।

মোহনদাস করমচাদ গান্ধীর সাথে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ

যা-হোক ১৯৪৭ সালে আমাদের একটা দেশ হলো। জিন্নাহ কথা দিয়েছিলেন—‘আমি তোমাদেরকে গণতন্ত্র দেব, সমান অধিকার দেবো, সমৃদ্ধি দেব।’ তাই বাংলার মানুষ তাকে বিশ্বাস করে স্লোগান দিয়েছিল—‘করেঙ্গে ইয়া মারেঙ্গে/লারকে লেঙ্গে পাকিস্তান।’

আপনার বাবা আমার বাবা, আপনার দাদা আমার দাদা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবাই পাকিস্তানের জন্য সংগ্রাম করেছিলেন। পাকিস্তান অর্জন হতো না বাংলার সমাজ তাদের পাশে না দাঁড়ালে। বেলুচিস্তান পাকিস্তানের জন্য ভোট দেয়নি, পাঠানরা দেয়নি, সিন্ধিরা দিয়েছিল মাত্র কয়েক শতাংশ। শুধু বাংলার মানুষ বিশাল ভোটের মাধ্যমে পাকিস্তান হাসিল করতে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছিল। জিন্নাহ বাঙালিদের সহযোগিতায় পাকিস্তান অর্জন করলেন। কিন্তু ২৩ বছরে পাকিস্তানি শাসকরা পাকিস্তানকে কবরস্থান বানিয়ে ফেললেন। গণতন্ত্র, সমান অধিকার, সমৃদ্ধির জন্য যে পাকিস্তানের জন্ম, সে পাকিস্তানে এখনও গণতন্ত্র ফিরেনি, সমান অধিকার, সমৃদ্ধি কিছুই হয়নি। শুধু পারমানবিক শক্তি অর্জন করেছে। আর বাঙালির ওপর পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে নিষ্ঠুর গণহত্যা চালিয়েছিল। এখনও গণহত্যা চালাচ্ছে আফগানে। যুক্তরাষ্ট্রের পর পৃথিবীর টেরোরিস্ট রাষ্ট্রের মধ্যে পাকিস্তান অন্যতম।

একটা-দুইটা নয়, অজস্র অপরাধ করেছেন জিন্নাহ ও তার মুসলিম লীগ। নিজে ক্ষমতা গ্রহণের পর নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি (গভর্নর জেনারেল) পদবি। প্রধানমন্ত্রী করেছেন অনির্বাচিত পশ্চিম পাকিস্তানি লিয়াকত আলী খানকে। (যিনি জিন্নাহর হত্যাকারীও)। জিন্নাহ ৮ সদস্যের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা গঠন করেন- যেখানে তিনি পাকিস্তানপন্থি বাঙালি নেতা যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল, ফজলুর রহমান ও খাজা শাহাবুদ্দিনকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করছিলেন।

পাকিস্তানের রাজধানী হিসেবে সবাই আশা করেছিল চারশ বছরের ঐতিহ্যবাহী সবচেয়ে জনবহুল শহর ‘ঢাকা’। কিন্তু তিনি একক সিদ্ধান্ত নিলেন তার জন্মভূমি করাচি হবে রাজধানী। করাচি তখন ছিল মাছুয়াদের মাছের ব্যবসার শহর- সেটাকে তিনি করলেন রাজধানী। তার পরিবারও ছিল মাছব্যবসায়ী। নিন্মস্তরের হিন্দু। উচ্চতর হিন্দুরা যাকে গ্রহণ করতো না।

তারপরে জিন্নাহ পার্লামেন্ট সেশন ডাকলেন এবং নিজ সিদ্ধান্তে কোনোরকম নিয়মকানুন না মেনে পার্লামেন্টের স্পিকারও হয়ে গেলেন। সেই পার্লামেন্টে কুমিল্লা-ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জনপ্রিয় নেতা ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত দাঁড়িয়ে বলেছিলেন— ‘মিস্টার চেয়ারম্যান অব দ্যা পার্লামেন্ট, আমি রাষ্ট্রভাষা ব্যবহারিক ভাষা লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা নিয়ে আলাপ করতে চাই।’ ১৯৪৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। জিন্নাহ বললেন, সময় দিলাম ৩০ মিনিট।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বলেছিলেন, ‘আমরা সবাই পাকিস্তানের জন্য একত্রে সংগ্রাম করেছি। সংগ্রাম করতে করতে আমরা একে অপরের ভাই হয়ে গিয়েছি। আপনারা আমাদের ভাই হন। ভাইয়ের দাবি, উর্দু ভাষা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে আমরা মেনে নেব যদিও এটা সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষা। কিন্তু ভাইয়ের দাবি তো নিয়মের থেকে বড়ো হয়। বাংলার মানুষদের আমরা মানিয়ে নিব, উর্দু হবে রাষ্ট্রভাষা। কিন্তু আমাদের একটা অনুরোধ আছে। আপনার হতদরিদ্র ভাইয়েরা পূর্ব পাকিস্তানে থাকে। তারাই তো পাকিস্তানের জন্য সংগ্রাম করেছে। তাদের ছাড়া পাকিস্তান হাসিল হতো না। তারা কোন ভাষা জানে না বাংলা ছাড়া। উর্দু, ফরাসি, তামিল, হিন্দি কিছুই জানে না। তাই বিনীত অনুরোধ করছি, উর্দুর পাশে বাংলাকে একটা স্থান দিন।’

জিন্নাহ বললেন, আমি ভোটে দিলাম। লজ্জা ও দুঃখের সঙ্গে বলতে চাই ৭৯ জন মেম্বার ছিল পার্লামেন্টে, মাত্র দুজন ভোট দিয়েছিল বাংলার পক্ষে। তারা হলেন- প্রেমহরি বর্মন ও ধীরেন দত্ত। আর কেউ দেননি, কী লজ্জার কথা। ধীরেন দত্ত পার্লামেন্ট থেকে মাথানত করে বের হয়ে যাচ্ছিলেন। অপমানিত হয়েছিলেন তিনি। তখন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান উর্দুতে চিৎকার করে বলছিলেন: ‘মিস্টার দত্ত, আমি আপনার কথার মধ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদের সুর শুনতে পেয়েছি।’

সেই যে বিচ্ছিন্নতাবাদী হলাম আমরা, আর পাকিস্তানি হতে পারলাম না।

এভাবেই আমাদের ভোটের পাকিস্তান, আমাদের প্রিয় পাকিস্তান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তারপর জিন্নাহ সাহেব ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ ঢাকায় আসলেন। ২১ মার্চ রমনা রেসকোর্স ময়দান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে তিনি চিৎকার করে বলেছিলেন-‘উর্দু, উর্দু অ্যান্ড উর্দু শেল বি দ্যা স্টেট ল্যাঙ্গুয়েজ অব পাকিস্তান।’ সবাই স্তম্ভিত! কয়েকজন ছাত্র চিৎকার করছিল- ‘নো নো নো, আমরা উর্দু চাই না, আমরা বাংলা চাই।’ কারা তারা? তিনজনের নাম পাওয়া যাচ্ছে- বরিশালের ছাত্রনেতা ফজলুল করিম, হারিয়ে গেছেন। ঢাকার ছাত্রনেতা আবুল হাশেম, তিনিও হারিয়ে গেছেন। গোপালগঞ্জের ছাত্রনেতা শেখ মুজিবুর রহমান, তিনি হারাননি, জাতির পিতা হয়েছেন।

ফলাফল- পাকিস্তানের ২৩ বছরের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জেলে ছিলেন ১৮ বারে মোট ৪,৬৮২ দিন প্রায় ১৩ বছর। জিন্নাহকে হত্যা করা হয় ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর। জিন্নাহর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন ক্ষমতাবান লিয়াকত আলী খান। লিয়াকত আলী খানকেও গুলি করে হত্যা করা হলো ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডির গর্ডন কলেজ গ্রাউন্ড সংলগ্ন ‘কোম্পানি বাগে।’ সে প্রসঙ্গ আলাদা।

তারপরে আমরা দেখলাম চরম অস্থিরতা বিরাজ করছিল পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে।

জিন্নাহ তাচ্ছিল্য করতেন সাধারণ মানুষকে। কেননা তিনি জীবনযাপন করতেন ইংরেজ রাজপুরুষদের স্টাইলে। এই তাচ্ছিল্য সম্ভবত এসেছে তার বাপ-দাদার প্রতিক্রিয়া থেকে। দাদা তো অবশ্যই হিন্দু। নিম্নশ্রেণীর মাছব্যবসায়ী। প্রচুর অর্থ উপার্জন করলেও কিন্তু অভিজাত হিন্দুসমাজ তাকে গ্রহণ করেনি নিজেদের আঙিনায়। তাদের কোনো উৎসবে, অনুষ্ঠানে, মেলা-পার্বনে সম্মুখসারিতে বসার অধিকার ছিল না জিন্নাহর পিতা পুঞ্জলাল ঠক্করের। ফলে ক্রোধান্বিত হয়ে ধর্মত্যাগ। ইসমাইলিয় শিয়া সম্প্রদায়ে যোগদান। অর্থাৎ জিন্নাহ’র হিন্দুবিদ্বেষ এবং সাধারণ মানুষের প্রতি তাচ্ছিল্য পূর্বপুরুষদের অপমানের প্রতিক্রিয়া হিসাবেই পাওয়া। সেই প্রবণতা থেকেই বাংলাভাষা এবং বাঙালিদের প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শন।

পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ

এখানে একটা কথা বলে রাখি, যদি জিন্নাহ ওয়াহাবী মুসলিম হতেন, তাকে ঘিরে ওয়াহাবীরা আরেকটা অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি করার সুযোগ থাকতো। যেটা জামায়াতে ইসলামী করছে এখন। কারণ জামায়াতের নির্দিষ্ট কোন আদর্শ নাই। যে জিন্নাহকে জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা আবুল আল মওদুদী ‘কায়েদে আজম’ এর বিপরিতে ‘কায়েদে কাফের’ আখ্যা দিয়েছিল সেই জামায়াতই এখন জিন্নাহকে আদর্শ হিসেবে উপস্থাপন করতে চায়। কি দ্বিচারিতা। আসলে জিন্নাহ তাদের আদর্শ হিসেবে নয় বরং বাংলার বড় বড় নেতাদের খাটো করতেই জামায়াত এখন জিন্নাহকে সামনে আনে।

সুতরাং জিন্নাহ বাংলার মানুষের জন্য খলনায়ক হিসেবে থাকবে। নায়ক কোনভাবেই নায়ক নয়।

একটা জায়গায় হয়ত জিন্নাহর জন্য ‘সিমপ্যাথি’ হতে পারে। পাকিস্তান সৃষ্টি এক বছরের মাথায় যে জিন্নাহ পাকিস্তানের দাবিকে ক্রমশ উচ্চ থেকে উচ্চতর আওয়াজ তুলেছিলেন, সেই পাকিস্তানের জন্মের দিনক্ষণ যখন নিশ্চিত হলো, পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেলের পদটিও যখন নিজের জন্য নির্দিষ্ট করে নিশ্চিত হলেন তখন ১৯৪৭-এর ১১ আগস্ট পাকিস্তান গঠনের জন্য সমবেত নেতাদের জিন্নাহ বললেন—‘আপনি বিনা বাধায় এদেশের যেকোনো মন্দিরে যেতে পারেন, যেতে পারেন মসজিদ কিংবা অন্যকোনো ধর্মীয় উপাসনালয়ে। যেকোনো ধর্ম, বর্ণ বা বিশ্বাসে বিশ্বাসী হতে পারেন। মৌলবাদের নীতির সঙ্গে এর কোন সম্পর্ক নেই। এটি রাষ্ট্রের সবার জন্যই সমান। আমাদের উচিত আদর্শ হিসেবে এটাকে সামনে নিয়ে আসা এবং সময়ের ব্যবধানে এটাই হবে। হিন্দুদের ধর্মীয় চেতনা আছে। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে তারা এই রাষ্ট্রেরই নাগরিক।’

অর্থ্যাৎ যে জিন্নাহ ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান হাসিল করে নিলেন, এক বছরের মাথায় তিনি উপলদ্ধি করলেন ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র হয় না, হতে পারে না। যে অসাম্প্রদায়িকতার চেতনায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সৃষ্টি হলো। অর্থ্যাং রাষ্ট্রধর্ম কনসেপ্টটা যে ভুল, সেটা তখনই ফায়সালা হয়ে গেল।

জিন্নাহর হত্যাকাণ্ড ছিল খুবই বেদনাদায়ক। জিন্নাহ হত্যকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন তারই নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের দ্বারা। সেই খুন টেকনিক্যাল। প্রচণ্ড অসুস্থ মানুষটিকে করাচি পর্যন্ত নিয়ে আসার প্লেনটিকে দেরি করানো হয়েছিল কয়েক ঘণ্টা। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তৈরি করা হয়েছিল কৃত্রিম যানজট। এতে হাসপাতালের বেডে যখন তাকে শোয়ানো হলো, তখন তাকে বাঁচানোর সাধ্য ছিল না সেই সময়ের চিকিৎসক এবং পাকিস্তানের চিকিৎসাব্যবস্থার। ইসলামের নামে যে পাকিস্তানের স্রষ্টা তিনি ছিলেন, সেই পাকিস্তানকে সেক্যুলার স্টেট বানানোর স্বপ্ন দেখাটাই ছিল তার বড় অপরাধ। তার পাকিস্তানপন্থী সহযোগীদের কাছে। কাজেই তার সহকর্মীদের হাতেই মরতে হয়েছিল তাকে।

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আইয়ের সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Tags: দেশভাগ
Previous Post

৭৫ বলে সেঞ্চুরি হেডের, কত রানে জিতল অস্ট্রেলিয়া

Next Post

হ্যারি কেনকে ইঙ্গিত করে কী বললেন ইয়ামাল

Next Post

হ্যারি কেনকে ইঙ্গিত করে কী বললেন ইয়ামাল

মুক্তির তরঙ্গ: যখন রেডিও হয়ে উঠেছিল মুক্তির অস্ত্র

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
info@channelionline.com
online@channeli.tv (Online)
news@channeli.tv (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT