দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা বোলিং প্রতিভা খুঁজে বের করে তাদের জাতীয় পর্যায়ের জন্য গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে আবারও শুরু হচ্ছে ‘রবি বোলার হান্ট’। রবি ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এবারের ট্যালেন্ট হান্টে পুরুষদের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটারদেরও অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনের পরিধি আগেরবারের তুলনায় আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। ‘পারবে তুমিও’ আদর্শকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পেসার ও স্পিনার বাছাই করা হবে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে মূল বাছাইপর্ব।
দেশের আটটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে ট্রায়াল। এর মধ্যে দুটি ভেন্যু ঢাকায়। অন্য ভেন্যুগুলো হলো সিলেট, খুলনা, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম। বরিশালের ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হবে খুলনায়। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিভিন্ন দিনে এসব ভেন্যুতে বাছাইপর্ব অনুষ্ঠিত হবে।
রবি ও বিসিবির যৌথ উদ্যোগে নতুন বোলিং প্রতিভা খুঁজে বের করার আগের আয়োজনগুলোতেও সাফল্য এসেছে। ২০১৬ সালের রবি ফাস্ট বোলার হান্ট থেকে উঠে আসেন এবাদত হোসেন। প্রায় ৪০ হাজার তরুণ পেসারের অংশগ্রহণে আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় ঘণ্টায় ১৩৯ দশমিক ৯ কিলোমিটার গতিতে বল করে দ্রুততম বোলার হন তিনি। পরবর্তীতে জাতীয় দলের পেস বোলিং ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবাদত।
এরপর ২০১৭ সালের রবি স্পিনার হান্ট থেকে উঠে আসেন রিশাদ হোসেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ লেগ স্পিনার হিসেবে জায়গা করে নেন। আগের আয়োজনগুলোর এই সাফল্যই নতুন করে বোলার হান্ট আয়োজনের অন্যতম অনুপ্রেরণা।
পুরুষ ও নারী ক্রিকেটারদের বাছাইয়ের সময় মাঠে উপস্থিত থাকবেন নির্বাচকেরা। বিচারক হিসেবে থাকবেন পাকিস্তান জাতীয় দলের সাবেক লেগ স্পিনার মুশতাক আহমেদ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ জাতীয় দলের সাবেক পেসার কোরি কলিমোর এবং বাংলাদেশের হাই পারফরম্যান্স স্কোয়াডের প্রধান কোচ মো. সালাহউদ্দিন। জাতীয় দলের কোচরাও সামগ্রিক বাছাই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।
তবে বাছাইয়ের পরই শেষ হবে না এই কার্যক্রম। নির্বাচিত বোলারদের জন্য থাকবে আধুনিক প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত পরিচর্যার সুযোগ। সম্ভাবনাময় বোলারদের জাতীয় দল ও জাতীয় দলের পাইপলাইনের জন্য প্রস্তুত করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
আগ্রহী বোলাররা ‘মাই রবি’ অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে রবি বোলার হান্টে অংশ নিতে পারবেন।









