চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

আমীরুল ইসলাম ছিলেন লেখকদের লেখক কিংবা নির্মাতাদেরও নির্মাতা

রাজু আলীম by রাজু আলীম
9:58 পূর্বাহ্ন 14, সেপ্টেম্বর 2026
in - সেমি লিড, মতামত
A A
ছবি: শিশু সাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম।

ছবি: শিশু সাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম।

প্রখ্যাত শিশু সাহিত্যিক, ছড়াকার, সাংবাদিক টিভি অনুষ্ঠান নির্মাতা, কিংবা নির্মাতাদের নির্মাতা আমীরুল ইসলাম আর নেই—কথাটা লিখতে বসেও যেন বিশ্বাস হচ্ছে না। চ্যানেল আইতে তার রুম ছিল আমার রুমের ঠিক সামনে। এতদিন অফিসে এসে ওই রুমটার দিকে তাকালে মনে হতো, মানুষটা আছেন। কোনো না কোনো শব্দ আসছে, কাউকে ডাকছেন, কারও সঙ্গে কথা বলছেন, হেসে উঠছেন, হয়তো কোনো অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত আছেন। এখন রুমটা আছে, দরজাটা আছে, চেয়ার-টেবিল আছে, কিন্তু মানুষটা নেই। এই শূন্যতাটা খুব অদ্ভুত।

অনেক দিন ধরেই আমীরুল ভাই অসুস্থ ছিলেন। একের পর এক শারীরিক সমস্যা তাকে ঘিরে ধরেছিল। কিডনির জটিলতা ছিল, চিকিৎসা চলেছে, ডায়ালাইসিস নিতে হয়েছে। পরে চোখের দেখাও প্রায় চলে গেল। একজন লেখকের জন্য, একজন পাঠকের জন্য, একজন অনুষ্ঠানকর্মীর জন্য চোখের আলো হারিয়ে ফেলা কত বড় আঘাত, সেটা বলে বোঝানোর দরকার নেই। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো—অসুস্থতা তাকে ধীর করেছে, থামাতে পারেনি। আমীরুল ইসলাম ছিলেন এমনই একজন মানুষ।

ছবি: শিশু সাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম।

তার নিজের লেখা একটা কথা আজ খুব মনে পড়ছে। ২০২৪ সালের ৩১ অক্টোবর নিজের ফেসবুক পাতায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রসঙ্গে লিখেছিলেন, পরিচিতজনেরা শুনে ‘উহু আহা’ করেন, তিনি বুঝতে পারেন ওরা হয়তো ভাবে, ‘ব্যাটা মরে না কেন?’ তারপর লিখেছিলেন, ‘আমি মরতে মরতে বেঁচে উঠি।’ আবার কিছুদিন দেশ-জাতি-জনগণকে জ্বালাতন করেন। অসুস্থতা, হাসপাতাল, এমনকি মৃত্যুর সম্ভাবনাকেও তিনি এমন রসিকতার মধ্যে নিয়ে আসতে পারতেন। তার এই লেখাটা এখন পড়লে বুকের ভেতরটা হঠাৎ ভার হয়ে আসে। কারণ, এই কথার মধ্যেই যেন তার পুরো মানুষটাকে পাওয়া যায়।

তিনি অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু অসুস্থ মানুষ হয়ে থাকতে চাননি। চোখে দেখতে পারতেন না, কিন্তু নিজের চারপাশের পৃথিবী থেকে নিজেকে সরিয়ে নেননি। শরীর বারবার তাকে থামাতে চেয়েছে, তিনি বারবার উঠে দাঁড়িয়েছেন। তার প্রাণোচ্ছ্বাস ছিল অদ্ভুত শক্তিশালী। শেষ দিন পর্যন্ত তিনি সেই প্রাণোচ্ছ্বাস নিয়েই বেঁচে ছিলেন।

আমীরুল ইসলাম এর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা তাই শুধু কর্মক্ষেত্রের সম্পর্ক ছিল না। তিনি আমার অগ্রজ। সাহিত্য ও সংস্কৃতির জগতে তিনি আমার অনেক আগে থেকে পথ চলেছেন। আবার একই সঙ্গে তিনি ছিলেন আমার সহকর্মী। কিংবা আমি ছিলাম তার প্রতিদিনের কর্মজীবনে পাশাপাশি থাকা মানুষ। ফলে তার সাহিত্যিক পরিচয়ের বাইরে যে আমীরুল ইসলামকে আমি দেখেছি, সেই মানুষটিই আজ সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে।

তিনি ছিলেন অসম্ভব প্রাণবন্ত। কিছু মানুষ আছেন, তারা কোনো জায়গায় ঢুকলেই জায়গাটা বদলে যায়। আমীরুল ইসলাম ছিলেন সেই ধরনের মানুষ। তার সঙ্গে পাঁচ মিনিট কথা বললেও বোঝা যেত, মানুষটি কেবল একটি বিষয়ে আটকে নেই। সাহিত্য থেকে ইতিহাস, ইতিহাস থেকে মানুষ, মানুষ থেকে রাজনীতি, রাজনীতি থেকে আবার কোনো ছড়া—আলোচনা কোথায় গিয়ে থামবে, তার ঠিক ছিল না। তার রসবোধ ছিল তীক্ষ্ণ। আড্ডা ছিল তার স্বভাব। মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়া ছিল তার সহজাত ক্ষমতা।

প্রকাশিত বিভিন্ন স্মৃতিচারণে তার এই দিকটাই সবচেয়ে বেশি ফিরে এসেছে। কেউ তাকে বলেছেন আড্ডাবাজ, কেউ জীবনরসিক, কেউ ভোজনপ্রিয়, কেউ বলেছেন মানুষের প্রতি অদ্ভুত টান ছিল তার। ধ্রুব এষ লিখেছেন, আমীরুল ইসলাম ছিলেন ‘বিশ্বভরা-প্রাণ’ মানুষ; তার চলে যাওয়াকে মনে হয়েছে তুমুল হইহল্লা আর হাসির হররা থেমে যাওয়া। এমন স্মৃতি খুব সহজে তৈরি হয় না।

আরেকটি জায়গায় আমীরুল ইসলামকে বুঝতে হলে আমাদের শিশু-কিশোরদের জগতে ফিরে যেতে হয়। কচিকাঁচার আসর, খেলাঘর, চাঁদের হাট—বাংলাদেশে শিশু-কিশোরদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের যে সমৃদ্ধ ধারাটি বহু দশক ধরে তৈরি হয়েছে, আমীরুল ইসলাম ছিলেন সেই বৃহৎ পরিসরেরই একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। তার নিজের প্রজন্মের অনেক লেখক-ছড়াকারই এই সাংস্কৃতিক পরিসর থেকে উঠে এসেছেন। তিনি শিশুদের জন্য শুধু লিখে থেমে থাকেননি; তাদের সাহিত্য, পাঠাভ্যাস, কল্পনা ও সাংস্কৃতিক বিকাশের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কিশোর-তরুণদের মাসিক ‘আসন্ন’ পত্রিকার সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পৃক্ততা ছিল। প্রায় ১০ বছর তিনি এর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে অধুনালুপ্ত দৈনিক বাংলার কিশোরদের পাতা সম্পাদনা করেছেন পাঁচ বছর। অর্থাৎ শিশু-কিশোরদের জন্য লেখা এবং তাদের পাঠের জগৎ তৈরি—দুটো কাজই তিনি সমান গুরুত্ব দিয়ে করেছেন। এই জায়গাটাই আমীরুল ইসলামকে আলাদা করে।

তিনি শিশুদের মাথার ওপর দাঁড়িয়ে কথা বলতেন না। শিশুদের পাশে বসে কথা বলতেন। তার ছড়ায় তাই সহজ আনন্দের সঙ্গে কৌতূহল আছে, দুষ্টুমি আছে, আবার চারপাশের পৃথিবীকে দেখার চোখও আছে। বিজ্ঞান, গণিত, ভ্রমণ, জীবনী, ইতিহাস, খেলাধুলা—কত বিচিত্র বিষয়ে তিনি শিশুদের জন্য লিখেছেন! তার লেখার জগৎ ছিল একেবারেই বহুমাত্রিক। প্রকাশিত লেখাগুলোতে তার বইয়ের সংখ্যা তিন শতাধিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘খামখেয়ালি’ ছিল তার প্রথম বই। সেই বইয়ের জন্যই অল্প বয়সে তিনি অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার পান এবং লেখকগণ পরে একই পুরস্কার আরও কয়েকবার অর্জন করেন। ২০০৬ সালে শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পান। বাংলা একাডেমির তালিকাতেও তার সেই স্বীকৃতি নথিভুক্ত আছে। ([অ্যাডর্ন বুকস][৩])

কিন্তু আমীরুল ইসলামকে পুরস্কারের তালিকা দিয়ে বোঝা যাবে না। কারণ তিনি ছিলেন অগ্রজ। আর অগ্রজ হিসেবে তার একটা আলাদা উদারতা ছিল। অনেক তরুণ লেখকের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। নতুন কেউ লিখছে—সে খবর তার কাছে পৌঁছালে তিনি আগ্রহী হতেন। উৎসাহ দিতেন। তার সঙ্গে কাজ করা কিংবা তার সংস্পর্শে আসা অনেকেই পরে স্মৃতিচারণে সেই কথাই বলেছেন—আমীরুল ভাই মানুষকে কাছে টানতেন। তিনি নিজের চারপাশে দেয়াল তুলতেন না।

চ্যানেল আইয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে। অনুষ্ঠান বিভাগের দায়িত্বে থেকে তিনি শুধু প্রশাসনিক কাজ করেননি; অনুষ্ঠান ভাবনা, নির্মাণ, সাংস্কৃতিক আয়োজন—সবকিছুর সঙ্গেই তার একটা সৃজনশীল সম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন প্রকাশিত তথ্যে তাকে চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমি তার সেই দিকটা খুব কাছ থেকে দেখেছি।

কাজের সময় তিনি কাজ নিয়ে সিরিয়াস ছিলেন। কিন্তু মানুষকে কখনো কাজের ফাইলে আটকে রাখেননি। অফিসের বাইরে সাহিত্য, সংস্কৃতি, মানুষ, বই—সবই তার আলাপের বিষয়। তার রুমে কে ঢুকছে, কে বের হচ্ছে, সেটা দিয়ে বোঝা যেত তার পরিসর কত বড়। একজন লেখক যেমন আসছেন, তেমনি একজন তরুণ সাংবাদিক; একজন শিল্পী যেমন, তেমনি কোনো অনুষ্ঠানের কর্মী। তার ভেতরে একটা সহজ মানবিকতা ছিল।

আমীরুল ভাইয়ের আরেকটি বড় পরিচয়—তিনি নিজেই ছিলেন একজন পাঠক। পুরনো বই সংগ্রহ করতেন, ছবি সংগ্রহ করতেন, দাবা খেলতেন, রবীন্দ্রসংগীত শুনতেন, পৃথিবীর নানা শহর ঘুরে দেখতেন। এসব শখের কথা তার লেখক-পরিচয়কে আরও বড় করে। তিনি কেবল লিখতেন না, জীবনটাকেও নানা দিক থেকে দেখতেন। প্রকাশকের লেখায় তাকে কৌতুকপ্রিয়, আড্ডাবাজ, জীবনরসিক ও ভ্রমণপ্রিয় মানুষ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই কারণেই বোধহয় অসুস্থতাও তাকে পুরোপুরি পরাজিত করতে পারেনি।

আমি অনেক দিন তাকে দেখেছি শরীর খারাপ নিয়ে। তারপরও তার মধ্যে একটা অদম্য ব্যস্ততা ছিল। চোখের দেখাও যখন কমে গেল, তখনও মনে হয়নি তিনি নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। বরং মনে হতো, তার ভেতরের মানুষটা শরীরের সঙ্গে একেবারেই একমত নয়।

শরীর বলছে, বিশ্রাম নাও। তিনি বলছেন, না, এখনও অনেক কিছু বাকি। এই ‘অনেক কিছু বাকি’ বোধটাই হয়তো তাকে শেষ পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেছে।

আমীরুল ভাইয়ের লেখা পড়লে আর তার সঙ্গে থাকা সময়গুলো মনে করলে একটা ব্যাপার খুব পরিষ্কার হয়ে যায়—তিনি মূলত জীবনমুখী মানুষ ছিলেন। মৃত্যুকে ভয় পেতেন কি না জানি না, কিন্তু মৃত্যুর কথা তাকে স্তব্ধ করে দিতে পারেনি। হাসপাতালের বিছানাতেও তিনি নিজের সঙ্গে মজা করতে পেরেছেন। এই রসিকতা আসলে কষ্টকে লুকানোর কৌশল নয়; বরং জীবনকে আঁকড়ে থাকার একটা নিজস্ব পদ্ধতি। তিনি নেই।

কোনো একসময় মনে হয়, দরজা খুলে আবার ডাকবেন। কোনো অনুষ্ঠান নিয়ে কথা বলবেন। হয়তো বলবেন, এই কাজটা এভাবে করো, ওই মানুষটার সঙ্গে কথা বলো। কিংবা একেবারেই অন্য কোনো প্রসঙ্গ তুলে বসবেন। তারপর হেসে উঠবেন।

এখন বুঝতে পারছি, একজন মানুষ প্রতিদিনের জীবনের কতটা জায়গা দখল করে থাকতে পারেন—তার অনুপস্থিতি না এলে সেটা বোঝা যায় না।

আমীরুল ইসলাম চলে গেছেন ১০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে। চার দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর। ৬২ বছরের জীবন শেষ হয়েছে, কিন্তু তার কাজ শেষ হয়নি। তার লেখা থাকবে। তার বই থাকবে। শিশুদের মুখে তার ছড়ার শব্দ থাকবে। তরুণ লেখকদের স্মৃতিতে তার উৎসাহ থাকবে। চ্যানেল আইয়ের বহু বছরের সাংস্কৃতিক যাত্রার সঙ্গে তার নাম থেকে যাবে। আর আমার কাছে তিনি থাকবেন আরও ব্যক্তিগতভাবে।

এখনও মনে হচ্ছে, চ্যানেল আইয়ের তার রুমটার দিকে তাকালে আমি একজন সহকর্মীকে দেখব, একজন অগ্রজকে দেখব, একজন লেখককে দেখব। কিন্তু সবচেয়ে বেশি দেখব একজন প্রাণবন্ত মানুষকে—যিনি অসুস্থতাকে পাত্তা দেননি, চোখের অন্ধকারকে ভয় পাননি, শরীরের সীমাবদ্ধতাকে মেনে নেননি। আমীরুল ভাইকে শেষ পর্যন্ত থামানো গেল না। শরীর পারেনি। অসুস্থতা পারেনি। চোখের অন্ধকার পারেনি।

তিনি শেষ দিন পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন তার নিজের মতো করে—হাসতে হাসতে, কথা বলতে বলতে, লিখতে লিখতে, মানুষকে ভালোবেসে। মৃত্যু এসে তাকে থামিয়েছে। কিন্তু আমাদের স্মৃতিতে আমীরুল ভাইকে থামানোর কোনো উপায় নেই।

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই–এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Tags: আমীরুল ইসলাম
Previous Post

শেলটনের স্বপ্ন ভেঙে ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন জভেরেভ

Next Post

ইউক্রেনে রুশ ড্রোন হামলা: অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

Next Post
ছবি:  সংগৃহীত।

ইউক্রেনে রুশ ড্রোন হামলা: অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

সুইডেনের নির্বাচনে এগিয়ে বিরোধী জোট, কমেছে সুইডেন ডেমোক্র্যাটসের সমর্থন

সর্বশেষ

জেমসের নতুন গানের পরিবেশনা, মঞ্চে গিটার ও মাইক্রোফোন হাতে শিল্পী. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

ঘর ছেড়ে আজিজ বোর্ডিং, সংগীতে আজও অপ্রতিরোধ্য জেমস

অক্টোবর 2, 2026

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ কবে, কার বিপক্ষে, কোথায়

অক্টোবর 2, 2026
প্রাকৃতিক পরিবেশে মিথিলা সুন্দরভাবে ছবি তুলেছেন. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

মিথিলার ক্যারিয়ারে বড় পরিবর্তন

অক্টোবর 2, 2026

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে: মাহদী আমিন

অক্টোবর 1, 2026

২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরু কবে, জানাল আইসিসি

অক্টোবর 1, 2026
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
info@channelionline.com
online@channeli.tv (Online)
news@channeli.tv (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT