ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে বড় হারে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে যাওয়া এখন বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে কেন্টের। বল হাতে নিজেদের কাজ সেরে দিয়েছিলেন বাংলাদেশি দুই পেসার হাসান মাহমুদ এবং খালেদ আহমেদ। তবে ডার্বির বিপক্ষে দুই ইনিংসে ব্যাটিং ধসে বেশ ভুগতে হয়েছে তাদের দলকে। ম্যাচ হেরেছেন ১৮১ রানে।
দুই ইনিংস মিলিয়ে হাসান নিয়েছেন ৭ উইকেট। প্রথমটিতে ৪ এবং পরে ৩ উইকেট। প্রথম ইনিংসে খালেদ ৩ উইকেট নিলেও পরের ইনিংসে কোন উইকেট পাননি।
মঙ্গলবার রাতে ডার্বির মাঠে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্ট। প্রথম ইনিংসে ৩০০ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। ১৫.৫ ওভারে ৪ মেডেনে ৩০ রান খরচায় ৪ উইকেট নেন হাসান, বোলিং গড় ১.৮৯। অন্যদিকে নিজের প্রথম ম্যাচে খালেদ ১৮ ওভারে ৪ মেডেনে ৭৩ রান খরচে তুলে নেন ৩ উইকেট। ম্যাচজুড়ে দুই টাইগার পেসারের বোলিং ছিল নজরকাড়া। ব্যাটে নেমে ৭৩.২ ওভার খেলে ২১৯ রানে আল আউট হয় হাসানদের দল। তিনি ৭ বলে ৪ রান করে ফেরেন, খালেদ করেন অপরাজিত ১০ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে কেন্টের হয়ে একমাত্র ভালো বোলিং করেছেন হাসান। ৮ উইকেটে ৩৫২ রানের পুঁজি গড়ে ডার্বি। হাসান ১৬ ওভারে তিন মেডেনে ৩২ রানে নেন ৩ উইকেট। গড় ২.০০। খালেদ ১৮.৪ ওভারে তিন মেডেনে ৬৪ রান খরচ করে উইকেট পাননি।
৪৩৪ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যে নেমে সুবিধা করতে পারেনি কেন্ট। শেষ উইকেটে ক্রিজে ছিলেন দুই বাংলাদেশি সতীর্থ। ১২ বল মোকাবিলা করেন হাসান-খালেদ। খালেদ ৫ বল খেলে ১ রানে অপরাজিত থাকেন। আগে নামা হাসান ৪৮ বল খেলে করেছেন ৯ রান। তিনি সাজঘরে ফিরে গেলে ২৫২ রানে অলআউট হয় কেন্ট।
১২ ম্যাচে ৬ জয় ২ হার ও ৪ ড্রয়ে তিনে রয়েছে কেন্ট। টেবিলে শীর্ষে থাকা দল প্রথম বিভাগে উন্নিত হবে। আসরে মাত্র ৪ ম্যাচ এবং ৮ ইনিংসে ২৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন টাইগার পেসার হাসান।









