এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ ফুটবল বাছাইপর্বে ব্যর্থতায় টুর্নামেন্টের মাঝেই ছাঁটাই করা হয় জেরার্ড জোন্সকে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্তের পর চারদিন পেরিয়ে গেছে। যুব দলের সাবেক এ কোচ মুখ খুলেছেন বিস্ফোরক দাবি নিয়ে। বলেছেন, মৃত্যুর হুমকি দেয়া হয়েছিল তাকে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশাল এক পোস্টে জোন্স অনেক কথাই লিখেছেন। শুরুতেই বলেছেন, কানসাস সিটিতে পৌঁছে আনন্দিত। পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটিয়ে, নিজেকে কিছুটা গুছিয়ে তিনি পোস্টটি করছেন। তার দাবি, বাংলাদেশে কাজ করাকালীন ব্যক্তিগত আক্রমণের পাশাপাশি ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস এবং মেরে ফেলার হুমকিও পেয়েছেন।
‘ফুটবল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা করাটা সম্পূর্ণ যৌক্তিক। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা হুমকি দেয়াটা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। আমাকেও কুরুচিপূর্ণ বার্তা, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস, প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। আর এসব কিসের জন্য? প্রতিটি কোচ ও খেলোয়াড়ের আড়ালে একজন মানুষ থাকেন। আমিও কারও স্বামী, কারও বাবা, আবার কারও সন্তান। প্রত্যেকেরই নিজস্ব মতামত থাকার অধিকার আছে, তবে তা কোন হুমকি বা অপমান ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে প্রকাশ করা সম্ভব। আমি গর্বিত যে, প্রতিদিন প্রাণখুলে হেসেছি এবং এখনও হাসছি। কারণ আমার মনে হয়, যারা নেতিবাচকতায় এত সময় ও শক্তি ব্যয় করেন, তাদের জীবনে নিশ্চয় প্রচুর ঘৃণা জমে আছে।’
পোস্টে বাংলাদেশ নিয়ে পরিকল্পনা এবং অবস্থার সম্পর্কেও বলেছেন জোন্স। তাকে অল্প ম্যাচ দেখেই ছাঁটাই করা হয়েছে বলেছেন। সবার থেকে পাওয়া ভালোবাসার কথা বলতেও ভোলেননি।
আগস্টে টিম হোটেলে সহকারী কোচ আতিকুর রহমানের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় জোন্সের নাম এসেছিল। তাকে যুবাদের বাছাই আসরের মাঝে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।









