এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
নব্বইয়ের দশক ও চলতি শতকের শুরুর দিকে বলিউডের ওপর আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাব ছিল ব্যাপক। তারকা থেকে পরিচালক অনেকেই ছিলেন অপরাধ চক্রের হুমকি ও চাপের মুখে। সেই সময়ের ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে নির্মাতা সঞ্জয় গুপ্তা বলেছেন, বলিউডে একজন মানুষই প্রকাশ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের চাপের কাছে মাথা নত করতে অস্বীকার করেছিলেন, আর তিনি শাহরুখ খান।
সম্প্রতি ইউটিউবের হুসেইন জাইদি ফাইলস অনুষ্ঠানে সঞ্জয় গুপ্তা বলেন, মুম্বাইয়ের আন্ডারওয়ার্ল্ডের সবচেয়ে প্রভাবশালী সময় তিনি খুব কাছ থেকে দেখেছেন। সঞ্জয়ের ভাষ্য, সেসময় চলচ্চিত্রজগতের মানুষ ছিলেন অত্যন্ত সহজ লক্ষ্য।
অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক—কেউই পুরোপুরি নিরাপদ ছিলেন না। তিনি স্মরণ করেন, এক পাঞ্জাবি অভিনেতার মরদেহ ফিল্ম সিটিতে পাওয়া গিয়েছিল। পরে জানা যায়, তিনি পুলিশের তথ্যদাতা ছিলেন। অভিনেত্রী মনীষা কৈরালার এক সাধারণ স্বভাবের সচিবকেও একদিন তার অফিসে ঢুকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এমনকি নির্মাতা রাকেশ রোশনের ওপরও হামলা হয়েছিল।
সঞ্জয় গুপ্তার মতে, এসব ঘটনা শুধু চাঁদাবাজির ফোনকলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রভাব ছিল আরও গভীর। অনেক প্রযোজক ও অভিনেতাকে সিনেমা বা শো করার জন্য বাধ্য করা হতো। তবে শাহরুখ খান তাদের আদেশের সামনে মাথা নত করতে রাজি হননি।
সঞ্জয় বলেন, ‘চলচ্চিত্র শিল্পে শুধু শাহরুখ খানই হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে বলতে পেরেছিলেন, “আমি এই সিনেমা বা শো কখনোই করব না, আমি পাঠানের বাচ্চা, ইচ্ছা হলে আমাকে গুলি করে দাও।”
শাহরুখ বলেছিলেন, ভয় পেয়ে তিনি কাজ করবেন না। তার এই সাহসিকতা শেষ পর্যন্ত আন্ডারওয়ার্ল্ডের অপরাধীদের মনেও তার প্রতি শ্রদ্ধার জায়গা তৈরি করেছিল।’









