ইউরোপের মাটিতে সান মেরিনোর বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় দিয়ে বাংলাদেশে জাতীয় দলের মিশন শুরু করেন জার্মান কোচ থমাস ডুলি। নভেম্বরে বাংলাদেশে হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মিশন শুরুর আগে বাংলাদেশের আরেকটি সুযোগ এসেছে ফিফা উইন্ডোতে আসিয়ান কাপ খেলার। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুঞ্জন রটেছিল বাংলাদেশের কোচ নাকি আসিয়ান কাপে খেলতে চান না। সেটার ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশের নতুন কোচ।
বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন প্রাঙ্গণে সংবাদমাধ্যমে কথা বলেন ডুলি। সেখানে গুঞ্জন সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে ডুলি জানান, ‘আমরা আগেই বলেছি যে ফিফা সিদ্ধান্ত নেয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। আমি জানি অনলাইনে, গ্রুপে এবং সব জায়গায় এ নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে। কিন্তু আমি সেই ব্যক্তি নই যে এসব কাগজপত্রে স্বাক্ষর করবে। তাই আমরা এখন কোন অবস্থায় আছি তা জিজ্ঞাসা করার জন্য আমি সঠিক ব্যক্তি নই। আমার কাছে শতভাগ নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। হয়তো এটি নিছকই একটি আনুষ্ঠানিকতা বা কাগজের বিষয়।’
‘অনলাইনে অনেক কিছু দেখা যায় যা বিশ্বাস করা যায় না। কেউ একজন বলেছে, আমি জানি না সে কে। আমি নাকি আসিয়ান কাপে খেলতে চাই না। অবশ্যই আমি আসিয়ান কাপ খেলতে চাই।’ গুঞ্জনের জবাব দিয়ে বলেন ডুলি।
ঘরের মাঠে একটি টুর্নামেন্ট খেলতে চাওয়া নিয়ে এ জার্মান কোচ বলেন, ‘আমরা নিজেদের মাঠেও একটি টুর্নামেন্ট চাই। বিশ্বকাপ এবং সান মারিনোতে অ্যাওয়ে ম্যাচের পর, আমাদের ভক্তদের সামনে ঘরের মাঠে টুর্নামেন্টে তিনটি ম্যাচ খেলা এবং তাদের আনন্দিত করা দারুণ ব্যাপার হবে। সাফ কাপের জন্য হোম গ্রাউন্ডে প্রস্তুতি নেয়া অসাধারণ হবে।’
‘তবে সিদ্ধান্তটা আমাদের হাতে নেই। সব দল আসতে রাজি নাও হতে পারে। কারা আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে চাইবে তা নিশ্চিত নয়, হয়তো তারা আমাদের কাছে হারার ভয় পায়! আমি জানি না। আমাদের তালিকায় এমন দল ছিল যারা কাগজে-কলমে আমাদের চেয়ে ভালো। আমরা ভালো দলের বিপক্ষে খেলে আমাদের ভুলগুলো থেকে শিখতে চাই।’
ফিফার অর্থায়নে ইন্দোনেশিয়ায় হতে চলা আসিয়ান কাপে অংশ নেয়ার জন্য শেষ মুহূর্তে আমন্ত্রণ পেয়েছে লাল-সবুজের দেশ। বাংলাদেশ আসিয়ান টুর্নামেন্টে খেলার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করার পর এখন অপেক্ষা ফিফার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১৪টি দেশ নিয়ে দুটি বিভাগে (প্রিমিয়ার ও চ্যালেঞ্জ ডিভিশন) হবে আসিয়ান কাপ। ইন্দোনেশিয়া প্রিমিয়ার ডিভিশন অংশের আয়োজন করবে এবং হংকং চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের আয়োজক।









