লাতিন আমেরিকা অঞ্চল থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট আগেই কেটেছে ব্রাজিল। বিশ্বমঞ্চে যাওয়ার আগে ঘরের মাঠে চিলির বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল কার্লো আনচেলত্তির দলকে ঝালিয়ে নেয়ার। ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রদ্রিগোর মতো খেলোয়াড়দের অনুপস্থিতির কোন প্রভাব পড়েনি ব্রাজিলের খেলায়। খানিকটা রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলেও পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ঠেকাতে পারেনি চিলি। গতিময় ফুটবলে তাদের অনায়াসে হারিয়েছে সেলেসাও বাহিনী।
ব্রাজিলের মারাকানা স্টেডিয়ামে শুক্রবার সকালে চিলিকে ৩-০তে হারিয়েছে আনচেলত্তির দল। প্রথমার্ধে এস্তেভাও দলকে এগিয়ে নেয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান বাড়িয়েছেন লুকাস পাকুয়েতা ও ব্রুনো গুইমারেস।
পুরো ম্যাচজুড়ে ৬৪ শতাংশ বল দখলে রাখে ব্রাজিল। গোলের জন্য নেয়া ২২টি শটের মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ৭টি। বিপরীতে গোলের জন্য চিলি তিনটি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি একটিও।
শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলা ব্রাজিল শেষপর্যন্ত দাপুটে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। চিলির বিপক্ষে চতুর্থ মিনিটেই বল জালে জড়িয়েছিল ব্রাজিল। অফসাইড হওয়ায় বেচে যায় চিলি। ৩৮ মিনিটে এস্তেভাওয়ের গোল ব্রাজিলকে লিড এনে দেয়।
৪৫ মিনিটে চিলির গিয়ের্মো মারিপানকে রেফারি লাল কার্ড দেখালে ভিএআরের কল্যাণে মাঠ ছাড়তে হয়নি তাকে। হলুদ কার্ডে রক্ষা পান। এরপর অবশ্য গুরুতর এক ফাউলের জন্য কাসেমিরোকে হলুদ কার্ড দেখতে হয়েছে প্রথমার্ধের একেবারে শেষদিকে।
দ্বিতীয় অর্ধে আরও দুই গোল হজম করে চিলি। ৭২ মিনিটে লুকাস পাকুয়েতার হেডারে চমৎকার এক গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় ব্রাজিলের। লুইজ হেনরিকের নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে আসা গোল কার্যত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে।
চিলির উপর শেষ আঘাত আসে ৭৬ মিনিটে। ব্রুনো গুইমারেস তৃতীয় গোল করে ব্রাজিলের আধিপত্য আরও সুদৃঢ় করেন। এই গোল ব্রাজিলকে নিখুঁত ও দাপুটে জয় উপহার দেয়।
জয়ে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে উঠল ব্রাজিল। ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে এটিই ঘরের মাঠে ব্রাজিলের শেষ ম্যাচ।









