চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দ্বিতীয় সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে শিরোপা নির্ধারণী মঞ্চে ওঠার স্বপ্ন ভেঙেছে সাউথ আফ্রিকার। ম্যাচে অপরাজিত সেঞ্চুরি হাঁকালেও জেতাতে পারেননি প্রোটিয়া ব্যাটার ডেভিড মিলার। বিদায়ের পর তার কাছে প্রশ্ন যায়, ফাইনালে ভারত নাকি সদ্য যাদের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছেন তাদের সমর্থন করবেন? জবাবে মিলার বলেছেন, ভারত নয় বরং কিউইদের সমর্থন করবেন বাঁহাতি মিডল অর্ডার তারকা।
গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ভারত-নিউজিল্যান্ড খেলা চলাকালীন যখন নিশ্চিত হয়নি সেমিতে দুবাইয়ে ভারতের প্রতিপক্ষ হবে কোন দলটি। অন্য গ্রুপের সেমিফাইনালে ওঠা দুই দলকেই তাই দুবাইয়ে নিয়ে গিয়ে অপেক্ষায় রাখে আইসিসি। উদ্দেশ্য ছিল, অস্ট্রেলিয়া ও সাউথ আফ্রিকার যে দলই দুবাইয়ে সেমিতে খেলুক, তারা যেন সেই ভেন্যুতে প্রস্তুতির বাড়তি একদিন সময় পায়।
শেষপর্যন্ত গ্রুপের শেষ ম্যাচে জিতে ভারত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে সেমিতে প্রতিপক্ষ হিসেবে পায় অস্ট্রেলিয়াকে। করাচি থেকে দুবাইয়ে উড়ে যাওয়া সাউথ আফ্রিকাকে আবার ফিরিয়ে আনা হয় পাকিস্তানের লাহোরে। ভারতের কারণে ‘হাইব্রিড’ মডেলের আসরে সেমির আগে বাড়তি ভ্রমণের ঝক্কি পোহাতে হয়েছে মিলারদের। সেই ক্ষোভই ফুটে উঠেছে তার প্রতিক্রিয়ায়।
৩৫ বর্ষী প্রোটিয়া ব্যাটার অকপটে বলেছেন, ‘আমি সৎ উত্তরই দেব, আমার ধারণা (ফাইনালে) আমি নিউজিল্যান্ডকে সমর্থন করব।’
‘যদিও এক ঘণ্টা ৪০ মিনিটের ফ্লাইট, তারপরও তো সেটা আমাদেরকে করতে হয়েছে। একটি ম্যাচ শেষে ভোরে আমাদের রওনা দিতে হয়েছে। বিকেল ৪টায় আমরা দুবাইয়ে গিয়েছি। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটায় আবার ফিরে আসতে হয়েছে (পাকিস্তানে)। এসব কখনোই ভালো লাগার মতো কিছু নয়। এমন নয় যে ৫ ঘণ্টার ফ্লাইট ছিল। রিকভারি ও সতেজ হয়ে ওঠার যথেষ্ট সময় ছিল। তবে অবশ্যই পরিস্থিতি আদর্শ কিছু ছিল না।’
ফাইনাল জমজমাট হবে বলেই আশা মিলারের। বলেছেন, ‘দুটি দলই অবিশ্বাস্যরকমের ভালো। ভারত গোটা দুনিয়াকেই দেখিয়েছে, তারা কতটা ভালো। অনেক বছর ধরেই তারা ভালো ক্রিকেট খেলছে এবং দারুণ কিছু ক্রিকেটার তাদের আছে। দুর্দান্ত এক ম্যাচ হতে চলেছে।’









