ভারতের দেয়া ৫১৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের শুরুটা ভালো হলেও অল্পসময়ের ব্যবধানে দুই ওপেনারই সাজঘরে ফিরে গেছেন। ২ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ ৮১ রান। চেন্নাইয়ে সিরিজের প্রথম টেস্টে সাদমান ইসলাম ও জাকির হাসানের ওপেনিং জুটি পায় ফিফটির দেখা।
চা-বিরতিতে যাওয়ার আগে যোগ করেন ৫৬ রান। বিরতির পর ৬২ রানের মাথায় জাকিরের উইকেট তুলে নেন জাসপ্রীত বুমরাহ। ৩৩ রানে ফেরেন বাঁহাতি ওপেনার। সাদমান ৩৫ রান করে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে সহজ ক্যাচ তুলে দেন।
তৃতীয় দিনের মধ্যাহ্ন বিরতির পর ঘণ্টাখানিক ব্যাটিং করে ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। শুবমান গিল ও লোকেশ রাহুলের ৫১ বলে ৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে স্বাগতিকদের লিড পাঁচশ ছাড়ায়।
৪ উইকেটে ২৮৭ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। গিল ১১৯ রানে ও লোকেশ রাহুল ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন।
দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে দিনের একমাত্র সাফল্যটি পায় বাংলাদেশ। রিশভ পান্টকে দুর্দান্ত ক্যাচে সাজঘরে পাঠান মেহেদী হাসান মিরাজ। সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি বাঁহাতি ব্যাটার।
ব্যক্তিগত ১০৯ রানের মাথায় মিরাজের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে সোজা ব্যাটে বাউন্ডারি মারতে চেয়েছিলেন পান্ট। কিন্তু দ্রুতগতিতে আসা বলটি সাহসিকতার সঙ্গে তালুবন্দী করে ফেলেন মিরাজ।
পান্ট আউট হওয়ার পর সেঞ্চুরি তুলে নেন গিল। এই জুটির দুই সেঞ্চুরিতে ভর করে শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে ২৮৭ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাতে বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য পাহাড় সম ৫১৫ রানের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে।
এর আগে চেন্নাইয়ে প্রথম দিনে টসে হেরে ব্যাটে নেমেছিল ভারত। প্রথম ইনিংসে ৩৭৬ রান করে তারা। জবাবে নেমে ১৪৯ রানে অলআউট হয়ে ফলো-অনে পড়ে বাংলাদেশ।
নাজমুল হোসেন শান্তদের ফলো-অন না করিয়ে ২২৭ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটে নামে ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ৮১ রান তুলে দ্বিতীয় দিন শেষ করে রোহিম শর্মার দল। লিড পেরোয় তিনশ।









