চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

১৫ আগস্ট রহস্যময় ভূমিকায় জেনারেল জিয়া

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর উপপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিলো রহস্যময়। হত্যা মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যে প্রমাণ হয়েছে, একদিকে তিনি সংবিধানকে সবার উপরে রাখার কথা বলেছেন, অন্যদিকে খুনিদের বিরুদ্ধে সেদিন কোনো ব্যবস্থা নিতে…

১৫ আগস্ট কিংকর্তব্যবিমূঢ় ব্রিগেড কমান্ডার

সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউল্লাহর অভিযোগ, ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে তিনি উপপ্রধান জেনারেল জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে কোনো সহায়তা পান নি। এরপর ১৯ আগস্ট ফর্মেশন কমান্ডারদের কনফারেন্স শুরু হওয়ার আগে ব্রিগেড কমান্ডার…

১৫ আগস্ট রথী-মহারথীদের অসহায় আত্মসমর্পণ

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ৪৬ ব্রিগেডের অবস্থা দেখে হতভম্ব অবস্থায় সশস্ত্র মেজর রশিদের চাপের মুখে রেডিও স্টেশনে যেতে রাজি হন সেনাপ্রধান জেনারেল শফিউল্লাহ। ‘আমি একা যাবো না। এয়ার এবং নেভাল চীফের সঙ্গে কথা বলি,’ বলার পর তাদের খবর দেওয়া হয়, তারাও…

ডালিমের স্টেনগান দেখে ভয়ে রাস্তা ছেড়ে দেন অফিসাররা

পরের দেড় দশক বীরদর্পে বাংলাদেশ শাসন করা সেনা কর্মকর্তারা ৭৫’র ১৫ আগস্ট মেজর রশিদ আর মেজর ডালিমের স্টেনগানের সামনে শুধু মিঁউমিঁউই করেন নি, ভয়ে পালিয়েও গিয়েছিলেন। এমনকি সেনাপ্রধান কিংবা পরে ২ নভেম্বর পাল্টা ক্যুয়ের মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের জন্য…

১৪ আগস্ট বিকেল থেকে প্রকাশ্যেই চলে সব প্রস্তুতি

১৪ আগস্ট বিকেল থেকেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সব প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। ষড়যন্ত্রকারীদের মধ্যে শেষ বৈঠক, নাইট প্যারেডের নামে সেনা সমাবেশ, অস্ত্রাগার খুলে দিয়ে অস্ত্র ও গুলি বিতরণ, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ঘোষণা, সেনাদের উদ্দেশে ব্রিফিং,…

অন্তহীন ঘুমে পঁচাত্তরের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে মূলতঃ অংশ নেয় ফার্স্ট বেঙ্গল ল্যান্সার এবং টু ফিল্ড আর্টিলারি। এর মধ্যে মেজর খন্দকার আব্দুর রশিদ যে টু ফিল্ড আর্টিলারির কমান্ডিং অফিসার ছিলো, তা ছিলো ৪৬ ব্রিগেডের অধীন। ঘটনার ৬/৭ মাস আগে ফার্স্ট বেঙ্গল ল্যান্সারও ৪৬…

সেদিন ৩২ নম্বরে ছুটে এসেছিলেন শুধু একজন

খুনিদের বাইরে সেনাবাহিনীর প্রথম যিনি ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর পৌঁছেছিলেন, তিনি ফার্স্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অ্যাডজুটেন্ট। তাকে বাড়ির পরিস্থিতি দেখে আসার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো।এরপর যারা যান তারা ডাইরেক্টরেট জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই)…

সবার শেষে হত্যা করা হয় শিশু রাসেলকে

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের আগে পরে গোয়েন্দারা মরদেহগুলোর ছবি তোলা ছাড়া, আর সেনাবাহিনীর মূল ধারা দাফনের ব্যবস্থা করা ছাড়া আর কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। সেনাপ্রধান যখন নিজের বাসভবন আর অফিসে ছুটোছুটি করছেন, উপ-প্রধান শেভ করছেন আর ব্রিগেড কমান্ডার…

হুদা-ডালিম ‘রেকি’ করে গেলেও গুরুত্ব দেয়নি কেউ

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্র ও হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা এবং সামরিক ও গোয়েন্দা ব্যর্থতার কথা লাইনে লাইনে ফুটে উঠেছে হত্যা মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যে। অনেক আগে থেকে এ ব্যর্থতার শুরু এবং এর শেষ কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার…

আগ্নেয়াস্ত্র থাকলেও বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে গুলি ছিলো না

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তায় নিয়োজিত সেনা সদস্যদের কাছে নিয়মিত আগ্নেয়াস্ত্র থাকলেও তাদের কাছে কোনো গুলি ছিলো না। প্রথম দফা আক্রমণের আগেই তাদের কাছ থেকে ইউনিটের সুবেদার মেজর আব্দুল ওয়াহাব জোয়ার্দার সব গুলি…