চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘১৪৪’ শুধু সংখ্যাই নয় অনুপ্রেরণাও

মাত্র ৩৬ দিনের ব্যবধান। দুবাই থেকে মিরপুর। টাইগার ক্রিকেটে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের প্রদর্শনীতে যোগ হয়েছে বড় দুটি ইনিংস। ১৫ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন মুশফিকুর রহিম। রোববার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৪৪ রানের ইনিংস খেলা ব্যাটসম্যানটি ইমরুল কায়েস।

শেষপর্যন্ত খেলার আন্তরিক চেষ্টা থাকলে যে সেঞ্চুরি বড় করা যায় এবং দলের জন্য সেটি কতটা প্রয়োজনীয় হতে পারে, তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এদুটি ইনিংস। ‘১৪৪’ তাই কেবল একটি সংখ্যা নয়, সব ছাপিয়ে মুশফিক-ইমরুলের এ কীর্তি তরুণদের জন্য হয়ে রইল অনুপ্রেরণারও।

ম্যাচ শেষে ইমরুল নিজেও বললেন সে কথা, ‘বড় ইনিংস খেললে অবশ্যই তরুণরা অনুপ্রাণিত হবে। দলে থেকে ওরা দেখে, অনুভব করে যে কঠিন পরিস্থিতিতে কী হয়। ওরা এসব থেকে অনেক শিখতে পারে।’

‘আসলে ম্যাচের পরিস্থিতি এরকম ছিল যে আমি না খেললে কঠিন হয়ে যেত আমাদের জন্য। এজন্য চেষ্টা করেছি শেষপর্যন্ত খেলতে। রান কত হবে এটা পরের ব্যাপার। একটা পর্যায়ে খুব ভালো বোধ করছিলাম। মনে হচ্ছিল যেদিকে ইচ্ছা মারতে পারব, ইচ্ছামতো খেলতে পারব। ওটাই হয়েছে। নিজের কাছে ভালো লাগছিল বলে যেদিকে ইচ্ছা মারতে পেরেছি।’

ইমরুল যখন আউট হন তখনও বাংলাদেশের ইনিংসের ৮ বল বাকি। আর ১১ রান করতে পারলেই ছাড়িয়ে যেতে পারতেন ২০০৯ সালে করা তামিম ইকবালের ১৫৪ রানের রেকর্ড। সেটিই ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ব্যক্তিগত সেরা ইনিংস। ইমরুল ও মুশফিকের ১৪৪ রানের ইনিংস দুটি যৌথভাবে দ্বিতীয়।

এমন বড় বড় ইনিংস শুধু সংখ্যায় বন্দী থাকবে না; হয়ে উঠবে অনুপ্রেরণার বাহক। রেকর্ড হয়নি, তবে ম্যাচজয়ী ইনিংস হয়েছে। যা দেখে হয়ত নিজের দিনে অন্যরাও জ্বলে উঠবেন এভাবে, সে বার্তাই অনুজদের দিয়ে রাখছেন ইমরুল।

FacebookTwitterInstagramPinterestLinkedInGoogle+YoutubeRedditDribbbleBehanceGithubCodePenEmail