চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

হ্যাকিং ঝুঁকিতে ৯০ শতাংশ জিমেইল ব্যবহারকারী

নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে জিমেইলের প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী। গুগলে কর্মরত একজন প্রকৌশলী এমনটিই দাবি করেছেন। সক্রিয় যেসব জিমেইল ব্যবহারকারী ‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ ফিচার ব্যবহার করছেন, তারা মোটামুটি নিরাপদ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

ক্যালিফোর্নিয়ায় ‘ইউসেনিক্স এনিগমা ২০১৮’ শীর্ষক একটি নিরাপত্তা সম্মেলনে গুগলের প্রকৌশলী জেগোস মিলকা এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাপী ক্রমবর্ধমান সাইবার হামলার মাধ্যমে হ্যাকাররা তথ্য ও অর্থের জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে হামলা চালাচ্ছে। ফলে সাইবার হামলা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে জানিয়ে জেগোস মিলকার বলেন, সাধারণ ও হ্যাকিংযোগ্য পাসওয়ার্ড থাকায় গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সুযোগ পায় হ্যাকাররা। এটি ঠেকাতে দ্রুত টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করা উচিত।

বিজ্ঞাপন

‘টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন’ একটি কার্যকর উপায়। এটি ব্যবহার করে ইমেইল ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারী তার অ্যাকাউন্টকে নিরাপদ রাখতে পারেন। তবে পাবলিক প্লেসে ও শেয়ারিং এনভায়রনমন্টে একাউন্ট ব্যবহারকারীদের জন্য এটি বেশ ঝামেলাপূর্ণ হওয়াতে অনেকে তা ব্যবহার করেন না।

প্রযুক্তিবান্ধব জাতি হিসেবে পরিচিত মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে মাত্র ১২ শতাংশ জিমেইল ব্যবহারকারী পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করেন। এ থেকে বোঝা যায় বেশিরভাগ ব্যবহারকারীই তাদের একাউন্টের নিরাপত্তার বিষয়ে যত্নবান না। আর এই সুযোগটিই নিয়ে থাকে হ্যাকাররা।

গুগল ২০১১ সাল থেকে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ফিচার চালু করেছে। সম্প্রতি গ্রাহকের নিরাপত্তা জোরদারে গুগলকে অনেক পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে। গ্রাহকের নিরাপত্তার স্বার্থে ‘জি সুইট’ ও ‘অ্যাডভান্সড প্রটেকশন প্রোগ্রাম’ চালু করেছে। ফিশিং, অনিচ্ছাকৃত তথ্য শেয়ার, প্রতারণার মাধ্যমে তথ্য হাতিয়ে নেয়া ঠেকাতে সক্রিয় প্রতিষ্ঠানটি।

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় থেকেই ই-মেইল নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। পরে ই-মেইলের নিরাপত্তা জোরদারে কাজ শুরু করে গুগল। এছাড়া ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সেবাদানের সময় নানা নিরাপত্তা ক্রটি ও বাগ থাকায় নানাসময়ে সমালোচনায়ও পড়তে হয়েছে টেক জায়ান্ট গুগলকে।