চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

হিম দিনে সুনীল হেমা মেহজাবিন

দ্যুতি তার লাবণ্যপ্রভার

গীত তার কণ্ঠে লালিত সুর

বিজ্ঞাপন

টেলিভিশনের পর্দা থেকে মুঠোর সেলফোনে; অগণিত দর্শক যাতে মুগ্ধ, তিনি মেহজাবিন।মেহজাবিন চৌধুরী। হাজারো দর্শকের মননে ও মগজে জায়গা নিয়েছেন এই লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার। শুধু রূপে নয়, গুণেও অনন্য। জানেন অভিনয়, জানেন নাচ। নতুন বছরের প্রথম দিনে চ্যানেল আই ভবনে আসেন তিনি। যেন এক নীল পাখি।

নীলে অনন্যা মেহজাবিন

জানতে চাইলাম, ‘এই সময়ের ব্যস্ততম মানুষ বললে কি খুব ভুল হবে?’ হাসলেন তিনি। মনে পড়লো কবিতার চরণ: হাসি তার জাদুর আধার, মুগ্ধ যুবক জানে মোহন বাসর কী যাতনার! জানালেন, আগামী ভ্যালেন্টাইনস ডে মানে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কোন অবসর নেই। টানা কাজ করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

হাসি তার জাদুর আধার

২০০৯ এ শুরু, ২০১৯ এ এসে মেহজাবিন টেলিভিশনে নিজেকে অপরিহার্য করে তুলেছেন। বলা যায় দারুন পারফরম্যান্স। নিজের জায়গাটি পোক্ত করে নিয়েছেন নিজের যোগ্যতায়। কাজ সেও তো এক সাধনাই। এ সাধনাতে প্রায় এক দশক জুড়ে তিনি গড়েছেন অনিন্দ্য এক আসন।

নাকে তার শিশির কণার মতো নাকফুল

মাঝ পৌষে শীত শীত এক দুপুর জুড়ে আছে চ্যানেল আইয়ের ছাতিমতলায়। ছাতিমপাতা গলে সোনালি রোদ ছুঁয়ে যায় মেহজাবিনকে। জানতে চাই, নতুন এই বছরের পরিকল্পনা কী? একটু ভাবেন। তারপর স্বভাবসুলভ হেসে জানান, নতুন দিনে নতুন জীবনের প্রত্যাশাতো থাকেই। মানুষতো আর ভবিষ্যত বলতে পারে না, প্রত্যাশাটুকুই। ভালো কিছু করতে চাই, নতুন কিছু।

রোদের সোনালি আভায় মেহজাবিন

চুল ঠিক করতে গিয়ে রিনঝিন শব্দ তোলে কানের দোলে। সেখানেও নীলের ছটা। শেষ প্রশ্ন ছুড়ি তাকে, মেহজাবিন, এই জীবন তবে কেমন? ব্যস্ততা নিয়ে এবার তার যাবার পালা। তারপরও ঘাড় ঘুরিয়ে তাকান। হেসে বলেন, সুন্দর, খুব সুন্দর।