চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সানির সাফল্যের নেপথ্যে ‘নতুন অ্যাকশন’

অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ ওঠার পর পরীক্ষা দিয়ে বৈধতা পেলেও অনেক বোলারই ফিরে পান না আগের ধার। ব্যতিক্রম আরাফাত সানি। এ বাঁহাতি স্পিনার নতুন অ্যাকশনে আগের চেয়েও ধারালো। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির সাফল্যের রহস্য অন্য কিছু নয়, ‘নতুন অ্যাকশন।’ বুধবার নিজেই সেটা জানালেন।

বিজ্ঞাপন

আগে টার্ন কম পেলেও এখন দারুণ টার্ন পাচ্ছেন বাংলাদেশের হয়ে ১৬টি ওয়ানডে ও ১০ টি-টুয়েন্টি ম্যাচ খেলা অর্থোডক্স বোলার আরাফাত সানি। সেই সঙ্গে বল বাতাসে ভেতরের দিকে ঢুকে বের হচ্ছে টার্ন করে। নতুন অ্যাকশন নিয়ে সন্তুষ্টি তার কণ্ঠে, ‘আগের মতো সবই আছে। এখন দুইটা জিনিস ভালো হচ্ছে। আগের চেয়ে টার্ন বেড়েছে ও বল ড্রিব করছে। যা নতুন অ্যাকশনে পাওয়া।’

বিজ্ঞাপন

প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে লিগে সানি আট ম্যাচে নিয়েছেন ২২ উইকেট। শুরুর ম্যাচে ৫টি আর সবশেষ ম্যাচে নিয়েছেন ক্যারিয়ারসেরা ৬ উইকেট।

গত বছরের মার্চে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ধর্মশালায় হল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই আরাফাত সানি ও তাসকিন আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠে সন্দেহজনক বোলিং অ্যাকশনের অভিযোগ। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর ৮ সেপ্টেম্বর ব্রিসবেনে পরীক্ষা দিয়ে বোলিং অ্যাকশন বৈধতার ছাড়পত্র পান তারা। তাসকিন বাংলাদেশ দলের পরের সিরিজগুলোয় থাকলেও বাদ পড়েন সানি। তাতে খুব বেশি হতাশ নন এ স্পিনার।

‘আমি এক ফোঁটাও হতাশ না। এটা হতেই পারে একটা প্লেয়ারের জন্য। টিম থেকে বের হবে আবার ঢুকবে। সেটা হওয়া স্বাভাবিক। আমি একটা প্রবলেমের জন্য (অবৈধ বোলিং অ্যাকশন) টিম থেকে বের হয়েছি। আমি যদি এখানে পারফর্ম করি, ভালো করে যেতে থাকি, লিগে সর্বোচ্চ উইকেট পাই তাহলে অবশ্যই ফিরতে পারবো। নির্বাচকরাও তখন আমাকে নিয়ে ভাবতে  পারবেন।’

বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা ফিরে পেতে অনেক পরিশ্রম করে গেছেন সানি। বৈধতা পেয়েই নেমেছিলেন জাতীয় লিগ খেলতে। চারদিনের দুটি ম্যাচ খেলে বোলিং করেছিলেন প্রায় ৮০ ওভার। ‘যখন নতুন অ্যাকশনে বল শুরু করি অবশ্যই আমার জন্য একটু কঠিন ছিল। ক্রিকেট যেহেতু খেলতে হবে এটা আমি আগেই মেনে নিয়েছি,’ মন্তব্য করে সানি বলেন, ‘আমি ভাগ্যবান যে অ্যাকশন শুধরানোর পর থেকেই জাতীয় লিগে দুইটা ম্যাচ খেলেছি। যেখানে ওভারের কোনো লিমিটেশন ছিল না। এটা খুব কাজে দিয়েছে।’