চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সাউথ আফ্রিকা এখন আহত বাঘ!

দুই হারু পার্টির লড়াই। এক ম্যাচও জিততে না পারা দুই দলের ম্যাচ। একপাশে আফগানিস্তান, অন্যপ্রান্তের দলটার নাম শুনেই চমকে যেতে হয়, ফেভারিট তকমা নিয়ে আসরে আসা সাউথ আফ্রিকা। এবি ডি ভিলিয়ার্সের মতো ব্যাটসম্যান না থাকায় প্রোটিয়াদের হয়তো কেউ হট-ফেভারিটের তালিকায় রাখেনি, সেজন্য এতটা খারাপ খেলবে তেমনও কেউ ভাবেনি। প্রথম চার ম্যাচে জয়হীন সাউথ আফ্রিকা, এটা কে ভেবেছে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে?

এই চার ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট সাউথ আফ্রিকার। সেটাও আবার নিজ গুণে নয়, বৃষ্টির কল্যাণে। ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ, ভারতের কাছে হার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছেও বেরিয়ে গিয়েছিল ব্যাটিংয়ের কঙ্কাল, বৃষ্টি এসে পড়ে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে সেই ম্যাচ। সেমিফাইনাল প্রায় অনিশ্চিত হয়ে গেছে, সম্ভাবনা যা আছে তাতে করতে হবে প্রায় অসম্ভব কিছু। জিততে হবে বাকি পাঁচ ম্যাচ! সেই বাকি ম্যাচগুলোর প্রথমটা হচ্ছে আফগানদের বিপক্ষে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

চার ম্যাচে একটা জায়গায় ভীষণরকম মিলছিল সাউথ আফ্রিকানদের। প্রায় সব ব্যাটসম্যানই ভীষণ রকম ব্যর্থ। সবচেয়ে অভিজ্ঞ যিনি, সেই হাশিম আমলা ভুগছেন ফর্মহীনতায়। ফর্মে নেই অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসিস এবং কুইন্টন ডি ককও। হারতে হারতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে বলে ব্যাটসম্যানদের সতর্ক করে দিয়েছেন প্রোটিয়া অধিনায়ক।

‘দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে আমাদের। আগে কী হয়েছে সেটা মাথায় রাখতে চাই না। আগামী পাঁচটা ম্যাচে আমরা একটা লক্ষ্য নিয়ে নামছি। হয়তো এবার যেভাবে খেলতে চাই সেটা পারব। আমরা নিজেদের শক্তি অনুযায়ী এখনও খেলতে পারিনি। এখন কোনো দলকেই দুর্বল বলা যায় না। এমন ক্রিকেটারেরা থাকে যারা ম্যাচের রঙ পাল্টে দিতে পারে।’

একই অবস্থা আবার আফগানিস্তান শিবিরেও। যে বোলিং দিয়ে বিশ্বকাপ মাত করে দেয়ার পরিকল্পনা ছিল গুলবাদিন নায়েবদের সেই বোলিং এখন নির্বিষ, ভীষণ রকম অনুমেয়। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে বোলিংয়ের ধারটা ফিরিয়ে আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ আফগানদের সামনে।