চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

সাইপ্রাসের সঙ্গে পারল না বাংলাদেশ

ম্যাচের আগে খাতা-কলমের হিসাবে এগিয়ে ছিল তারাই। ম্যাচ শেষেও এগিয়ে থাকল সাইপ্রাস। উয়েফার অর্থায়নে চার জাতি অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় জয় পেয়েছে তারা। সোমবার থাইল্যান্ডের বুরিরামে ৩-০ গোলে জেতে ইউরোপিয়ান দেশটি।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে গোলের একটা সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। সুযোগ ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারেনি যুবারা। উল্টো ১৭ মিনিটে এগিয়ে যায় শুরু থেকে বাংলাদেশকে বেশ চাপে রাখা সাইপ্রাস। প্রতিপক্ষ ফরোয়ার্ডকে বাংলাদেশ নিজেদের ডি-বক্সে ফেলে দেয়ায় পেনাল্টি পায় সাইপ্রাস। স্পটকিক থেকে দলকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক ইলিয়াস কোস্টিস।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচে ১০ মিনিট পর আবারও গোলের সুযোগ পায় সাইপ্রাস। কিন্তু ডি-বক্সের সামান্য বাইরে থেকে নেয়া ফ্রি-কিক ক্রসবারের অল্প উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ৩৮ ‍মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া হাফচান্সও কাজে লাগাতে পারেনি দলটি। সময়টাতে সাফল্য আনতে পারেনি বাংলাদেশও, তাতে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায়।

আক্রমণে গতি বাড়াতে বিরতির পরপরই দুটি পরিবর্তন করে সাইপ্রাস। ৪৯ মিনিটে আরেকটি ফ্রি-কিক পেয়ে উড়িয়ে মারেন ইলিয়াস। ৬০ মিনিটে একটি পরিবর্তন আনে বাংলাদেশও। রাসেল আহমেদকে উঠিয়ে মাঠে নামানো হয় মোহাম্মদ নাজমুলকে। কিন্তু ম্যাচে গতি আসার পরিবর্তে ৬৭ মিনিটে দ্বিতীয়বার পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ডি-বক্সের ভেতরে জটলার মধ্য থেকে আলতো টোকায় গোল করেন সাইপ্রাসের মারিও কোক্কিনফটাস।

তিন মিনিট পর আবারও বাংলাদেশের জালে বল জড়ায়। মাঝ মাঠ থেকে লম্বা ক্রসের বল পেয়ে চিপ করে বাংলাদেশের গোলকিপারের মাথার উপর দিয়ে বল ঠিকানায় পৌঁছে দেন অ্যাঞ্জেলো জেফকি। তিন গোল হজম করে হার নিশ্চিত হওয়া পর দলে তিন পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। বড় হার এড়াতে ডিফেন্সে শক্তি বাড়ালেও ম্যাচের যোগ করা সময়ে গোলের হালি পূর্ণ করে সাইপ্রাস। ৯১ মিনিটে সতীর্থদের ডিফেন্সচেরা পাস ডি-বক্সে ধরে মোলায়েম শটে জালে জড়ান আন্দ্রিয়াস।

বাংলাদেশ আগামী ১২ ও ১৪ ডিসেম্বর যথাক্রমে মালদ্বীপ এবং থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় আর তৃতীয় ম্যাচ খেলবে। তিন ম্যাচ শেষে পয়েন্টের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ।