চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শেখ সেলিমের বাড়ির সামনে শিশু জায়ানের জন্য অপেক্ষা

শ্রীলংকায় সিরিজ বোমা হামলায় জায়ানের জন্য অপেক্ষা বাড়লো। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই শেখ ফজলুল করিম সেলিমের নাতি শিশু জায়ান চৌধুরীর (৮) জন্য অপেক্ষা বাড়লো আরও একদিন। সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে না পারায় পূর্বনির্ধারিত মঙ্গলবারের পরিতর্তে বুধবার সকালে বিমান যোগে ঢাকা পৌঁছাবে জায়ানের মরদেহ।

এদিকে গতকাল রাতের মতো আজও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের শেখ সেলিমের বাড়ির সামনে অবস্থান করতে দেখা যাচ্ছে। দর্শনার্থীদের জন্য রাখা চেয়ারে সারি বেধে তারা বসে আছে।

অপেক্ষারত অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে: রাতে তারা এখানে এবং গজ কয়েক দূরের চেয়ারম্যান বাড়ি মাঠে অবস্থান করবে। শোকে মূহ্যমান নেতাকে সঙ্গ দিতে এবং সংকটের এ মুহূর্তে পাশে থাকতেই তারা সার্বক্ষণিক তাদের নেতার পাশে থাকতে চাইছেন।

জায়ানের মরদেহের সঙ্গে মোট ৮ জনের ঢাকা ফেরার কথা রয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবারের জন্য শুধু ৩ জনের টিকেট সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। তাই শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বুধবার মরদেহ সহযোগে সকলের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত হয়।

এ তথ্য জানিয়ে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ রাত সাড়ে ৮টার দিকে বানানী ২ নম্বর রোডে শেখ সেলিমের বাসার সামনে সাংবাদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

হানিফ জানান: বুধবার বিমান যোগে জায়ানের মরদেহ ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছাবে। সেখান থেকে মরদেহ সরাসরি বনানীর বাসায় নিয়ে আসা হবে। তারপর স্থানীয় চেয়ারম্যান বাড়ি মাঠে জানাজা শেষে বনানী কবর স্থানে দাফন করা হবে। এদিকে ওই সিরিজ বোমা হামলায় জায়ানের বাবা শেখ সেলিমের জামাতা মশিউল হক চৌধুরী আহত হয়ে শ্রীলংকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গতকাল রোববার শ্রীলংকায় ৩টি গির্জা ও ৩টি হোটেলসহ মোট ৮টি স্থাপনায় সিরিজ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। যাতে ২৯০ জন নিরীহ মানুষ প্রাণ হারায়।যার একজন জায়ান চৌধুরী৷ জায়ানের বাবা মশিউল আহত হলেও নিরাপদে রয়েছেন তার মা এবং দুই ভাই। এ ঘটনার পরই গতকাল রাতেই শেখ সেলিমের স্ত্রী ও এক পুত্র শ্রীলংকা পৌঁছে অবস্থান করছেন। মরদেহের সঙ্গে তারাও দেশে ফিরবেন।