চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শাপলা সেলে সাধারণ কয়েদীদের সঙ্গে আরাফাত সানি

কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের শাপলা সেলে অন্য সাধারণ কয়েদীদের মতোই দিন কাটাচ্ছেন ‘কথিত স্ত্রী’র তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা  মামলায় গ্রেফতার হওয়া জাতীয় দলের ক্রিকেটার আরাফাত সানি।

চ্যানেল আই অনলাইনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কারা উপ-মহা পরিদর্শক মোহাম্মদ তৌহিদুর রহমান।

অন্যদিক সানির পরিবার জামিন মঞ্জুরের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরাফাত সানির মামা শাকিল উদ্দিন পিন্টু চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন: সানির বিরুদ্ধে সম্পূর্ন ষড়যন্ত্র করে এ মামলা করা হয়েছে। এখন আমরা উকিলের মাধ্যমে জামিনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। রোববার আমরা আদালতে সানির জন্য জামিন চাইব। কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই আমরা সানির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। কারাগারে স্বাভাবিক রয়েছে সানি। তবে সে মানসিকভাবে অনেকটাই ভেঙ্গে পড়েছে।

সানির মামা পিন্টু আরও বলেন: নাসরিন সুলতানা নামের সানির ‘কথিত স্ত্রী’র বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন সানির স্ত্রী।একজন সেলিব্রিটি ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্যই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে আরাফাত সানিকে আদালতে হাজির করে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ। বিকেলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত রোববার ( ২২ জানুয়ারি) সাভারের আমিনবাজারের বাসা থেকে সানিকে গ্রেফতার করে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ। সেদিন তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে পুলিশ। তবে এক দিন রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দেন আদালত। এর আগে ফেসবুক মেসেঞ্জারে আপত্তিকর ছবি পাঠানোর অভিযোগ এনে সানির বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন নাসরিন সুলতানা।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আরাফাত সানির সঙ্গে ওই নারীর ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর বিয়ে হয়। গত বছরের ১২ জুন আরাফাত দুজনের একান্ত ব্যক্তিগত ছবি ও নারীর একক আপত্তিকর ছবি মেসেঞ্জারে পাঠান। ছবি পাঠিয়ে আরাফাত সানি ওই নারীকে হুমকি দেন। পরে আবার ২৫ নভেম্বর আরাফাত ওই নারীকে আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য অপেক্ষা করতে বলে।

সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে সানির বিরুদ্ধে যৌতুকের আরেকটি মামলা করেন ওই নারী । যৌতুক মামলায় সানির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সানির বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।