চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

শখের বশে পেয়ারা চাষে সাফল্য

চুয়াডাঙ্গায় পেয়ারা বাগান করে সাফল্যের নজির গড়েছেন চাতাল ব্যবসায়ী শাহীন বিশ্বাস। পাঁচ বিঘা জমিতে পেয়ারা বাগান করার ১০ মাস পর থেকেই পেতে শুরু করেছেন ফলন। বাজারদরও পাচ্ছেন ভালো।

২০১৪ সালের আগস্ট মাসে পাঁচ বিঘা জমিতে দেড় হাজার থাই-সাত জাতের পেয়ারার চারা লাগান রাজাপুরের চাতাল ব্যবসায়ী শাহীন। সাত মাস পর ফুল ও ফল ধরা শুরু করে। গত বছর জুন মাস থেকে শুরু হয় পেয়ারা বাজারজাতকরণ। বাগান করতে তার খরচ হয়েছে চার লাখ টাকা। এ পর্যন্ত প্রায় আট লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করেছেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

শাহীন বিশ্বাস বলেন, বাজারে বিক্রি করা দেখে আমার ভেতরে একটা আগ্রহ আসে যে এটা কি। পরে খোঁজে খোঁজে যে বাগান থেকে ওরা আনছে সেই বাগানে যায়। বাগান দেখে আরো অবাক হই। তারপরই সিদ্ধান্ত নিই চাতালের পাশাপাশি এই পেয়ারার চাষ আমি করবো। 

চলতি বছর জুন মাস পর্যন্ত আরো দু’লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি হবে বলে আশাবাদী এই খামারি। 

বিজ্ঞাপন

বলেন, ছোট সাইজ থাকতেই এই পেয়ারায় পলিথিন দেওয়া থাকে। পুরো বিষমুক্ত ফল।  

চুয়াডাঙ্গা জেলার চার উপজেলায় ছয়শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে গড়ে উঠেছে পেয়ারা বাগান। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে উচ্চমূল্যের ফলের তালিকায় পেয়ারা এখন অন্যতম।  

চুয়াডাঙার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তালহা জুবায়ের মাশরুর বলেন, আমরা কেঁচো সার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছি। সেটা করেই অন্যান্য বাগানের থেকে খুব ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে। পরিচর্যার কারণে তার ফলন যেমন বাড়ছে, তেমনই এই ব্যাগিংয়ের কারণে পেয়ারার মার্কেটভ্যালু যেমন বাড়ছে তেমন চেহারাও সুন্দর হচ্ছে। এখানে পেয়ারা সম্পূর্ণ বিষমুক্ত উপায়ে চাষাবাদ করা হয়।   

ফল সুরক্ষায় সেক্স ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহারে পোকা দমন, ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতি ও ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।