চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

লাদাখে ইমরান-তিশা, ক্যামেরার সামনে তিন বছর পর

ইমরান বললেন, আজ পর্যন্ত এটা আমার জীবনের অন্যতম একটি অভিজ্ঞতা…

‘চ্যানেল আই সেরা কণ্ঠ’ খ্যাত তারকা শিল্পী ইমরানের ‘শেষ সূচনা’ ও ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’ শিরোনামের জনপ্রিয় দুই গানের মডেল হয়েছিলেন তানজিন তিশা! সেটা ২০১৪ ও ২০১৫ সালে। পরপর রিলিজ হওয়া গান দুটি দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করে। বিশেষ করে ‘বলতে বলতে চলতে চলতে’ গান এবং এর মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে রেকর্ডের মাইলফলক স্পর্শ করে। এরপর কেটে গেছে তিন বছর।

বিজ্ঞাপন

ভিডিও গানের জনপ্রিয় এই জুটিকে দেখা যায়নি কোনো কাজে। সুখবর হচ্ছে, তিন বছর পর আবার জুটি বেঁধেছেন ইমরান-তানজিন তিশা। তাদের নতুন গান ‘আমার এ মন’। গানটি লিখেছেন সময়ের ব্যস্ততম গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। সুর-সংগীত করেছেন গায়ক ইমরান নিজেই। মিউজিক ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন তানিম রহমান অংশু।

নতুন চমকে ভরপুর এই গানটি ঈদের সময় প্রকাশ পাবে গানচিলের ইউটিউব চ্যানেলে। গত ১ থেকে ৩ আগস্ট হিমালয় দ্বারা বেষ্টিত ভারতের সৌন্দর্যের আঁতুড়ঘর লাদাখে এই গানের শুটিং শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন ‘চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’-খ্যাত ইমরান। তিনি এখন রয়েছেন কলকাতায়। সেখান থেকে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানান তার অভিজ্ঞতার কথা।

ইমরান বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারে অনেক মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছি। তবে এবারের কাজটির অভিজ্ঞতা সবচেয়ে রোমাঞ্চকর! বলিউড এবং টলিউডের জনপ্রিয় তারকারা সেখানে গিয়ে শুটিং করেন। সেজন্য অনুমতিও নিতে হয়। এতদিন চলচ্চিত্রে এসব লোকেশন দেখে ভালো লাগতো। এবার নিজের ভিডিওর শুটিং করতে গিয়ে আরও মুগ্ধ হয়েছি!’

শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়েছে জনপ্রিয় এই গায়ক বলেন, ‘প্রায় চার-পাঁচ ঘন্টা গাড়ি চড়ে একটা লোকেশন থেকে আরেকটা লোকেশনে গিয়ে শুটিং করেছি। কিছু উঁচু জায়গায় আমাদের উঠে কাজ করতে হয়েছে। যেখানে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। ফলে সারাক্ষণ সঙ্গে আলাদা অক্সিজেন রাখতে হয়েছে। দু’একবার অসুস্থবোধ করছিলাম। কিন্তু ভিডিওর ফুটেজ দেখার পর মনে হয়েছে সব পরিশ্রম স্বার্থক। আজ পর্যন্ত এটা আমার জীবনের অন্যতম একটি অভিজ্ঞতা।’

‘আমার এ মন’ মিউজিক ভিডিওটি নিয়ে তানজিন তিশা বলেন, ‘শুটিং করতে গিয়ে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। কারণ সেখানকার আবহাওয়া অন্যরকম। সেজন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। ইনজেকশন নিয়েছি, অক্সিজেন নিতে হয়েছে। এরপর সুস্থ হয়ে তারপর শুটিং করেছি। মেঘে ঢাকা পাহাড়ের চূড়া, পাহাড়ি রাস্তায় কাজ করেছি। দারুণ লোকেশন। চোখ জুড়িয়ে যায়। পুরোপুরি জাদুকরী অভিজ্ঞতা! ইমরান আর আমার আগের দুটি ভিডিওর চেয়েও এটি শ্রোতাদের কাছে বেশি প্রশংসিত হবে বলে আশাকরি।’