চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

লবণ চাষে ‍কৃষকের হাসি

কক্সবাজারের লবণ চাষ এলাকায় এই প্রথম চাষী পর্যায়ে প্রতি কেজি লবণের দাম পাওয়া যাচ্ছে ১০ টাকা।

বিজ্ঞাপন

আমদানি বন্ধসহ সরকারি কিছু সিদ্ধান্তের কারণে লবণ চাষে সুদিন এসেছে বলে জানাচ্ছেন চাষী ও ক্ষুদ্র শিল্প মালিক।

কক্সবাজার উপকূলের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে লবণের ক্ষেত। হাজার হাজার একর জমিতে চাষী সমুদ্রের পানি জমিয়ে তৈরি করে লবণ।

কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ৬৩ হাজার একর জমিতে লবণ চাষে যুক্ত ৫৫ হাজারের বেশি চাষী। এখানে উৎপাদিত লবণ দেশের মোট চাহিদা পূরণ করলেও এতদিন ন্যায্যমূল্য নিয়ে হতাশ ছিলেন চাষী। এই প্রথম তারা মুখ দেখেছেন কাঙ্খিত মূল্যের।

বিজ্ঞাপন

তারা জানান, বর্তমানে বিদেশী লবণ আমদানি বন্ধ। এভাবে বন্ধ থাকলে আমরা চাষীরা লাভবান হবো।

কক্সবাজারের লবণ চাষি কল্যাণ সমিতির সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরী বলেন, এই প্রথমবারের মতো আমরা লবণের কাঙ্খিত মূল্য পাচ্ছি।

সবকিছু ঠিক থাকলে কক্সবাজারের লবণ দিয়ে দেশের চাহিদা পূরণ সম্ভব বলে জানিয়েছে বিসিক। 

বিসিক লবণ শিল্প উন্নয়ন প্রকল্পের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আবসার উদ্দিন বলেন, লবণের ভালো দাম থাকায় এ বছর চাষীরা বেশ উৎসাহ-উদ্দিপণা নিয়ে চাষ শুরু করেছে।  প্রাকৃতিক অবস্থা অনুকূলে থাকলে জাতীয় যে চাহিদা সেটা আমরা পূরণ করতে পারবো।

গত বছর ১৫ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন লবণের জাতীয় চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছিল ১৬ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন।

এবার সারাদেশে লবণের চাহিদা ১৭ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ১৮ লাখ মেট্রিক টন।