চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

রাজন হত্যা: কামরুলসহ ৪ আসামীর মৃত্যুদণ্ড বহাল

সিলেটের আলোচিত শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন হত্যা মামলার আসামী কামরুল ইসলাম, ময়না চৌকিদার, তাজউদ্দিন আহমদ বাদল ও পলাতক জাকির হোসেন পাভেল আহমদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

তবে বিচারিক আদালতের রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত নূর মিয়ার সাজা কমিয়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া মুহিত আলম, আলী হায়দার ও শামীম আহমদকে (পলাতক) বিচারিক আদালতের দেয়া সাত বছর করে কারাদণ্ড এবং দুলাল আহমদ ও আয়াজ আলীকে এক বছর করে দেয়া কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বিজ্ঞাপন

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল হক জহির। আর আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন, বেলায়েত হোসেন, শাহরিয়ায় ও শহিদ উদ্দিন চৌধুরী। পলাতক এক আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত হিসেবে ছিলেন আইনজীবী হাসনা বেগম।

২০১৫ সালের ৮ জুলাই সিলেটের কুমারগাঁওয়ে চুরির অভিযোগে ১৩ বছরের শিশু রাজনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে হত্যার দৃশ্য ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয় হত্যাকারীরা। সেই ভিডিওচিত্র দেখে সারাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

হত্যার পর মূল আসামী কামরুল পালিয়ে সৌদি আরবে চলে যান। পরে সেই ভিডিও দেখে প্রবাসীরা তাকে আটক করে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করে।

ওই বছরের ৮ নভেম্বর রাজন হত্যা মমালায়  কামরুলসহ চারজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন নিম্ন আদালত।

এবছর ৩০ জানুয়ারি রাজন হত্যা মামলার আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু হয়। গত বছরের ১০ নভেম্বর রাজন হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়। পরে প্রধান বিচারপতির নির্দেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়।