চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

‘যৌথ প্রযোজনার নিয়ম নীতি সহনীয় করা যেতে পারে’

বাংলাদেশে ছবি নির্মাণ কমে গেছে। সে জন্য দেশীয় ছবি মুক্তি পাচ্ছে কম। গত কয়েক বছর ধরে যৌথ প্রযোজনায় বেশি বেশি ছবি নির্মিত হলেও তা কমে গেছে নীতিমালা সংশোধনের কারণে।

বিজ্ঞাপন

বর্তমানে কলকাতার ছবি আমদানি করে এদেশে মুক্তির হিড়িক পড়েছে! দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা এই আমদানি ছবির পক্ষে বিপক্ষে মত দিচ্ছেন।

তবে সংখাগরিষ্ঠদের মত, যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মিত হোক। দু-দেশের সংস্কৃতির মেলবন্ধন আরও মজবুত হোক। সবাই আরও বেশি কাজ করে নিজেদের সমৃদ্ধি বাড়াক।

কিন্তু যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণে নতুন নীতিমালা তৈরির পরেই ছবি নির্মাণ কমে গেছে। এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ চ্যানেল আই অনলাইনের সঙ্গে কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, নতুন নীতিমালা কেমন হয়েছে সেটা আমার জানা নেই। নতুন নীতিমালা যদি কঠিন হয়, সেটা নিয়ে আমাদের কথা বলার জায়গা আছে।

ফেরদৌস বলেন, সরকার আমাদের সব কথা শোনেন। দাবি মানেন, চাওয়াকে অগ্রাহ্য করেন না। আমার মনে হয়, যৌথ প্রযোজনার নীতিমালা নিয়ে আমরা কথা বলতে পারি। নতুন নীতিমালা কঠিন হলে কিভাবে সহনীয় করা যায়, সেটা নিয়ে আলোচনা করতে পারি। কিন্তু নীতিমালা অখ্যাত রেখে নতুন পথ তৈরি করা ঠিক না।

নায়ক ফেরদৌস কথা বলেন আমদানি (সাফটা) ছবি নিয়ে। তিনি জানান, আমদানি ছবির ভাবনা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ এখান থেকে একটি ছবি ওপারে যাবে, তার প্রেক্ষিতে একটি ছবি এখানে আসবে। সে ভাবনাটা খুব ভালো ছিল। কিন্তু সেটা এখন আর কাজে-কর্মে প্রয়োগ হচ্ছে না। এখন দেখা যাচ্ছে, যে ছবিগুলো জয়েন্ট ভেঞ্জার (যৌথ প্রযোজনা) করা কথা ছিল, এর জন্য আবেদন করা হয়েছে, সেটা না হয়ে আমদানির মাধ্যমে চলে আসছে।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্ত এই নায়ক মনে করেন, এতে করে নিগৃহীত হচ্ছে আমাদের অন্যান্য শিল্পী ও কলাকুশলীরা। ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ খ্যাত এই নায়ক বলেন, আমরা চেয়েছি যৌথ প্রযোজনার মাধ্যমে সমানভাবে দু-দেশ থেকে শিল্পী, টেকনিশিয়ানস একসঙ্গে কাজ করবে। কিন্তু এখন এদেশ থেকে একজন বা দু-জন শিল্পী যাচ্ছে। সেটা আমদানির মাধ্যমে চলে আসছে। এটা আমার কাছে মনে হয় লম্বা সময়ের জন্য ব্যক্তিগতভাবে কেউ লাভবান হচ্ছে।