চ্যানেল আই অনলাইন
হৃদয়ে বাংলাদেশ প্রবাসেও বাংলাদেশ

যোগাযোগের রণনীতি-রণকৌশলে সেনাবাহিনীর যে ভুল

প্রায় ১৬ বছর আগের কথা। তখন দিল্লীর ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব মাস কমিউনিকেশন, আইআইএমসি-তে লেখাপড়া করছি। উন্নয়ন সাংবাদিকতায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা। আমরা ছিলাম ১৯ দেশের ২৩ জন। সম্প্রতি ছাত্র আন্দোলনের জন্য বাংলাদেশের মানুষের কাছে খুব পরিচিতি পাওয়া জওহরলাল নেহরু ইউনিভার্সিটি (জেএনইউ) ক্যাম্পাস লাগোয়া আইআইএমসি। একটু পাহাড়ি এলাকা, বনের মতো অনেক গাছ। এমনকি সাপ আসতে পারে এমন আশংকায় হোস্টেলের জানালাগুলোতে নেট বসানো। অরুণা আসফ আলী মার্গের প্রায় শেষদিকে আইআইএমসি ক্যাম্পাস, দিল্লীওলারা বলেন, মাসকম; বিশেষ করে অটোচালকদের কাছে ওইটাই নাম।

বিজ্ঞাপন

সেই মাসকমে ভারতীয় অন্য বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করা ছেলেমেয়েরা জার্নালিজম এবং কমিউনিকেশনে মাস্টার্স করেন। তখন মাস্টার্সের বিষয় ছিলো হিন্দি জার্নালিজম, ইংলিশ জার্নালিজম, রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন জার্নালিজম এবং অ্যাড অ্যান্ড পি.আর। এছাড়া ভিনদেশী সাংবাদিকদের জন্য ডেভেলপমেন্ট জার্নালিজমের পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা ছিলো যেখানে মূলতঃ ভারত সরকারের বৃত্তিতে সাংবাদিকতা পেশায় কয়েক বছর অভিজ্ঞরা পড়ালেখার সুযোগ পান। আর ছিলো আই.আই.এস (ইন্ডিয়ান ইনফরমেশন সার্ভিস) কর্মকর্তাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী কোর্স। সঙ্গে লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে উপরের পদের সেনা কর্মকর্তাদের জন্য মিডিয়া রিলেশনের উপর কয়েক সপ্তাহের সংক্ষিপ্ত কোর্স।

হয়তো নিয়মিত শিক্ষার্থী ছাড়াও বিভিন্ন পেশার কর্মকর্তাদেরকে সমন্বয় করতে হয় তাই আইআইএমসির ওই সময়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল দারগান। ইন্সটিটিউটের রেজিস্ট্রার অনেক রাশভারী মানুষ হলেও কর্নেল দারগান ছিলেন বেশ মিশুক এবং আড্ডাবাজ। মুম্বাইয়ে ভেলপুরি খাওয়ানোর জন্য তিনি নিজের টাকায় ট্যাক্সি ভাড়া করে আমিসহ কয়েকজনকে মেরিন ড্রাইভে নিয়ে গিয়েছিলেন।

আমাদের প্রায় মাস ছয়েকের কোর্সে মুম্বাই ছাড়াও বেশি কিছু জায়গা ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ হয়েছিলো। সম্ভবতঃ কর্নেল দারগান এগুলো সমন্বয় করতেন বলেই তালিকায় ছিলো পুনেতে ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমি আর দেরাদুনে ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস একাডেমি ছাড়াও ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমি।

সহপাঠী অন্যদের কাছে দেরাদুনের মিলিটারি একাডেমি শুধুই একটি সেনা অফিসার গড়ে তোলার কেন্দ্র হলেও আমার এবং বাংলাদেশ থেকে যাওয়া আরেক সাংবাদিক শেক্সপিয়ার শীলের জন্য ছিলো বিশেষ কিছু। এটাইতো সেই জায়গা যেখানে আমাদের সেনাবাহিনীর প্রথম দিককার কর্মকর্তারা কমিশন্ড হয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেও প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এখানে।

ভারত অনেক বড় দেশ, তাই তাদের সেনাবাহিনীও বিশাল। সেই বিশালত্ব টের পাওয়া গেলো একসঙ্গে শত শত হবু অফিসারকে প্রশিক্ষণ নিতে দেখে। এতো বড় কন্টিনজেন্ট দেখে মনে হতে পারে সৈনিকদের প্রশিক্ষণ, কিন্তু আসলে তা ভবিষ্যৎ অফিসারদের ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি। বিশাল আকারের সেনাবাহিনীর জন্য অফিসারও দরকার অনেক। সেজন্যই একসঙ্গে ভবিষ্যৎ সেনা কর্মকর্তাদের এতো বিশাল দল।

দল বেঁধে শত শত ভবিষ্যৎ কর্মকর্তার প্রস্তুতি দেখার পাশাপাশি একটি দৃশ্য খুব মন কেড়েছিলো। একটি ছেলেকে একা একা বিভিন্ন হার্ডলস পার হওয়ার প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন একজন নন-কমিশন্ড অফিসার। এই ছেলেটি একা কেনো জানতে চাইলে ওই একাডেমি থেকে অনেক বছর আগে বের হওয়া কর্নেল দারগান জানান, মাঝেমধ্যে এরকম হয়। কেউ পিছিয়ে পড়লে তাকে একা একা অনেককিছু করে মূল দলের সঙ্গে যোগ দিতে হয়। তবে কয়েকজন যে শেষ পর্যন্ত ঝরে পড়েন না এমনও না।

এতোসব কথা বলার কারণ, এতোকিছু দেখার পর একাডেমির কমান্ড্যান্টের সঙ্গে আমাদের বৈঠক। ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে দেয়ালে ৭১’র ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পণের ছবি আছে এমন একটি কনফারেন্স রুমে তিনি আমাদের সঙ্গে ঘণ্টাখানেক কথা বলেন। পরে চা-পানের সময় আমার পাশে এসে বসেন। তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। নামটা এখন আর মনে নেই। চায়ে চুমুক দিতে দিতে তিনি বাংলাদেশের নানা প্রসঙ্গে কথা বলেন। বলছিলেন তিনি কম, প্রশ্ন করে করে শুনছিলেন বেশি। মিনিট বিশেকের কথায় আমি বুঝতে পারি তিনি মূলতঃ বুঝতে চাচ্ছিলেন যে, নতুন করে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় থাকা (সেটা ২০০০ সাল) একটি দেশের একজন তরুণ সাংবাদিক নিজ দেশ এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সেনাবাহিনী সম্পর্কে কীরকম ধারণা পোষণ করেন।

বিজ্ঞাপন

আলোচনার এক পর্যায়ে ওই কমান্ড্যান্ট জানতে চান, বাংলাদেশ এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর মধ্যে আমি কী পার্থক্য দেখতে পাই? উত্তরে আমি বলি, একটি পার্থক্য ফানি; টেক ইট ইজি, আর আরেকটি আমার পর্যবেক্ষণ। তিনি গভীর মনযোগ দিয়ে আমার চোখে চোখ রাখলেন। প্রথমে ফানি বিষয়টা বললাম আমি। বললাম, আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে টামি (ভূড়িওলা) কোনো অফিসার দেখিনি, ভারতীয় সেনাবাহিনীতে দেখেছি। সম্ভবতঃ তিনি একটু ভুল বুঝলেন। হাসতে হাসতেই বললেন, দেখো- আমি একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল, আমার বয়স ৫৭, আমার একটু টামি থাকতেই পারে। আমিও হেসে দিয়ে বললাম, তোমার কথা বলছি না। আমি আইআইএমসিতে ভূড়িওলা লেফটেন্যান্ট কর্নেল-কর্নেল দেখেছি; তাদের সঙ্গে টিভিরুমে কথা হয়েছে, ইনডোর গেমস রুমে দেখা হয়েছে, ইন্সটিটিউটের বারান্দায় তাদের দেখেছি। তাদের মধ্যে ভূড়িওলা কম দেখিনি।

‘ফানি’ হলেও সম্ভবতঃ তিনি বিষয়টা পছন্দ করলেন না। তার কোঁচকানো ভুরু আর ফর্সা মুখ কালো হয়ে যাওয়াতেই সেটা বোঝা যাচ্ছিলো। দ্রুত প্রসঙ্গ বদলে তিনি বললেন, তোমার সেকেন্ড পর্যবেক্ষণটা বলো।

আমি বললাম: তোমার মন খারাপ হয়ে গেছে বলে মন ভালো করার জন্য বলছি না। তবে এটা শুনে তোমার ভালো লাগবে। আমি দেখেছি আমাদের ইন্সটিটিউটে যে ভারতীয় সেনা কর্মকর্তারা কোর্স করতে আসেন তাদের কেউ কেউ আমাদের হোস্টেলে থাকলেও অনেকে সকালে বাইরে থেকে একসঙ্গে আসেন, একসঙ্গে বের হয়ে যান। তারা ছোট গাড়িতে (আমাদের পুরনো টিভি চ্যানেলগুলো যে মুড়ির টিন মার্কা অমনিবাসগুলো ব্যবহার করে সেরকম) একসঙ্গে অনেকে আসেন। এরা সবাই লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদমর্যাদার। অন্ততঃ আমার চোখে পড়েনি যে বাংলাদেশের কর্নেল-ব্রিগেডিয়াররা এরকম মুড়ির টিনে একসঙ্গে গাদাগাদি অবস্থায় কোথাও যাচ্ছেন।

দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির কমান্ড্যান্ট হাসলেন। ছোট করে বললেন, এটা দীর্ঘস্থায়ী গণতন্ত্রের সুফল। পাকিস্তানে হয়তো এরকম দৃশ্য চোখে পড়বে না। সঙ্গে তিনি এও বললেন, তুমি সাংবাদিক, তাই তোমাকে একটা কথা বলি। ইন্ডিয়ান আর্মি মিডিয়া নিয়ে তার আগের মনস্তত্ত্ব পরিবর্তন করছে। একসময় অদরকারেতো অবশ্যই, দরকারেও মিডিয়া থেকে দূরত্বে থাকার মানসিকতা ছিলো। কিন্তু, গবেষণা এবং বাস্তবতা বলছে, উল্টোটাই বরং ভালো। অযথা রাখঢাক না রেখে প্রয়োজনে তথ্যের ব্যাপারে খোলামেলা হওয়াই ভালো।

কুমিল্লার ঘটনার পর থেকে দেরাদুন মিলিটারি একাডেমির ওই কমান্ড্যান্টের কথা মনে পড়ছিলো। সেনানিবাসের মতো নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার একটি জায়গায় ধর্ষণ ও হত্যা কিংবা হত্যাকাণ্ডের মতো একটি ঘটনা ঘটলেও শুরুতে এ বিষয়ে কিছুই বলেনি সেনাবাহিনী। যেহেতু ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে হত্যা, তাই অনেকের সন্দেহ কোনো সেনাসদস্যই ওই ঘটনা ঘটিয়েছে। যেহেতু সেনানিবাসের ভেতরে আবাসিক এলাকায় হত্যা, তাই কারো কারো সন্দেহ ছিলো কোনো সেনা সদস্যের নিকটজনও দায়ী হতে পারে। শুরুতে সেনাবাহিনী কোনো বক্তব্য না দেওয়ায় মানুষের সন্দেহ তীব্রতর হয়। সঙ্গে তাদের এ সন্দেহও হয় যে, সেনাসংশ্লিষ্ট বলেই সেনাবাহিনী বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে কিংবা কাউকে বাঁচিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

অথচ, বাস্তবতা হচ্ছে- প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যাই হোক, ব্যক্তিগতভাবে ফৌজদারি অপরাধ করে সেনাবাহিনীতে পার পাওয়া যায় না। অপরাধীকে কোর্ট মার্শালের মুখোমুখি হতেই হয়। কিন্তু, আমাদের সেনাবাহিনীর সমস্যা হচ্ছে তারা ব্যক্তিকে প্রতিষ্ঠানের ইমেজের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলে। তাই কোনো ব্যক্তির অপঘটনায় এক ধরনের নৈর্ব্যক্তিক অবস্থান রেখে প্রকাশ্যে নীরব থাকে যেটা অনেক সময়ই ব্যক্তি অপরাধীর অপরাধ ‘ডিনায়াল’ (নাকচ) এর মতো মনে হয়। সেনাবাহিনী কোনো কিছুই ‘পাবলিক’ করতে চায় না যেটা আধুনিক যোগাযোগ তত্ত্বেরও বিপরীত।

আমি নিশ্চিত, কুমিল্লার ঘটনায় কোনো সেনা সদস্য জড়িত থাকলে হয় সে ঘটনার পরপরই আটক হয়েছে অথবা তাকে খুঁজে বের করার জন্য পুলিশের পাশাপাশি নিজস্ব তদন্ত চলছে। কেউ জড়িত না থাকলেও যেহেতু ক্যান্টনমেন্টের ভেতরের ঘটনা তাই সেনাবাহিনী অবশ্যই তদন্ত করছে, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও কাজ করছে। সমস্যা হলো পুরনো ধ্যান-ধারণা থেকে সেনাবাহিনী মনে করে যে, এগুলো পাবলিক জানলে তাদের ইমেজের সমস্যা হবে। কিন্তু, বাস্তবতা হচ্ছে তারা চুপ থাকার কারণেই ব্যক্তির অপরাধ প্রতিষ্ঠানের উপর যাচ্ছে। এখানেই যোগাযোগের গভীর সমস্যায় সেনাবাহিনী। তারা যতো দ্রুত পুরো বিষয়টা মানুষের সামনে খোলাসা করতে পারতো ততোই তাদের জন্য মঙ্গল হতো। যোগাযোগের আধুনিক তত্ত্বও তাই বলে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনায় সেটা আরেকবার প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু যোগাযোগের এ সাধারণ রণনীতি (নীতিমালা) থেকে আমাদের সেনাবাহিনী এখনো অনেক দূরে।

অনেক আলোচনা-সমালোচনার পর সেনাবাহিনী অবশ্য আইএসপিআরের মাধ্যমে ছোট একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। যোগাযোগর রণকৌশলেও (ভাষার) সমস্যায় থাকা সেনাবাহিনী তাতে বলেছে, ক্যান্টনমেন্টের ওই দিকটিতে দেয়াল নেই। তাদের এ বক্তব্যে খুব সাধারণভাবেই মনে হতে পারে, সেনাবাহিনী পুলিশকে এমন একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করছে যে খুনিরা বাইরে থেকে এসেছে। তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অনেকের মনে এমন সন্দেহও জেগেছে যে, সেনাবাহিনী হয়তো কাউকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। এর আরেক কারণ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করার চেষ্টার কথার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে হত্যাকাণ্ডের ‘কারণ উদঘাটন’-এর কথায়। অনেকে তাই মনে করছেন, কেউ হয়তো মনে করেন হত্যাকাণ্ডটির কারণ যৌক্তিক নাকি অযৌক্তিক সেটা আগে খুঁজে বের করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আসলে পুরো বিষয়টিতে যোগাযোগ সম্পর্কে সেনাবাহিনীর প্রাচীণ ধ্যান-ধারণার প্রকাশ হিসেবে নির্লিপ্ততার কারণে অনেককিছু প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যাচ্ছে। সেনাবাহিনীর এমন কিছু করা উচিত হবে না যাতে মানুষের মনে হয় সেনাবাহিনী কিছু আড়াল করছে। এমন করলে বরং প্রতিষ্ঠানের ইমেজ রক্ষার নামে ইমেজ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। যোগাযোগের ছাত্র হিসেবে বুঝি, তথ্য গোপন করে ইমেজ রক্ষা হয় না, ইমেজ গড়ে উঠে তথ্য জানানোর মধ্য দিয়ে। সেনানিবাসের ভেতরে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় সেনাবাহিনীর এক বা দুইজন জড়িত থাকলে সেনাবাহিনীর নীরবতায় প্রতিষ্ঠানকে কেনো সমালোচিত হতে হবে! কিন্তু এরকম যে হচ্ছে তার কারণ সেনাবাহিনীর তথ্য না জানানোর ভুল নীতি, বক্তব্য স্পষ্ট না করার কৌশল। এই সেনাবাহিনী পাকিস্তান আর্মি না। তবে, এটাও ঠিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ যতোটুকু কল্যাণকর সেনাবাহিনীও ততোটুকু। রাষ্ট্রব্যবস্থা সেনাবাহিনীকে যেভাবে গড়ে তুলেছে সেভাবেই গড়ে উঠেছে সেনাবাহিনী।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের
নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে
প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)